May 29, 2026, 6:23 pm
শিরোনাম :
চিতলমারীবাসীকে ফারজানা আক্তারের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ঈদযাত্রা ও পশুর হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে র‌্যাব-১০ এর ব্যাপক প্রস্তুতি বান্ধাবাড়ি ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা— মোঃ হান্নান মোল্লা এসআই সৈকত সহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়সহ চার দপ্তরে লিখিত অভিযোগ এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর রুরাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) এর ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বেস্ট রিপোর্টিং সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন আরজেএফ সেরা সংগঠক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কাশিয়ানী রিপোর্টার্স ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সংবাদিক মিলটন খান। প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ গ্রহণ করলেন শেরপুরের মো: রিয়াজ প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ গ্রহণ করলেন শেরপুরের রোজিনা আক্তার তিশা ৮৫ বিশিষ্ট নাগরিকের সংহতি নারী-শিশু নির্যাতন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি

এসআই সৈকত সহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়সহ চার দপ্তরে লিখিত অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সাম্প্রতিক সময়ে ডিএমপির সবুজবাগ থানায় কর্মরত এসআই সৈকত হোসেন সানি এসআই/আব্দুল কাইয়ুম,এএসআই ফেরদৌস রহমান, এএসআই/আব্দুর রহমান, এএসআই/মোঃ লিটন,মোঃ পারভেজ মিয়ার বিরুদ্ধে উদ্দেশ‍্য প্রণোদিত ভাবে মামলায় নাম জড়িয়ে হয়রানীর অভিযোগ তুলে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনায়,আইনমন্ত্রনালয়,বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন দীন ইসলাম নামে এক মোটরপার্স ব‍্যবসায়ী। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন ৫ই আগষ্ট দেশের পট পরিবর্তন হওয়ার পর এসআই সৈকত হোসেন সানির ডিএমপি সবুজবাগ থানায় যোগদান করেন। যোগদানের পর এসআই সৈকত হোসেন সানির সাথে তার সম্পর্ক গড়ে উঠে সম্পর্কের সুবাধে তার সাথে তার সবসময় যোগাযোগ ছিলো।ব‍্যবসায়িক ও আর্থিক বিভিন্ন সমস‍্যার কারনে অনেকদিন এসআই সৈকত হোসেন সানির সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।চাকুরী বাকুরী না পেয়ে দীন ইসলাম মোর্টর পার্সের দোকানে চাকুরী নেন।

অভিযোগে তিনি আরো উল্লেখ করেন গত ১৪ মে ২০২৬ইং সবুজবাগ থানায় একটি মাদক মামলা হয়।যার মামলা নং-১১ ধারা-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ এর ৩৬ (১) এর ১৯(খ)/ ৩৬(১) এর ১৪(খ)/৩৬(১) এর ১০ (ক)/৪১ মামলাটির এজাহার নামীয় আসামীর নিকট হইতে মামলার আলামত উদ্ধার পূর্বক মামলাটি থানায় দায়ের করার সময় এসআই (নিঃ)/সৈকত হোসেন সানি উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে দীন ইসলাম’কে হয়রানী করার জন্য উক্ত মামলায় তার নাম জড়িয়ে দেয় । অথচ এসআই (নিঃ) সৈকত হোসেন সানি,সঙ্গীয় ফোর্স এসআই/আব্দুল কাইয়ুম,এএসআই/ফেরদৌস রহমান, এএসআই/আব্দুর রহমান, এএসআই/মোঃ লিটন মিয়া, কং/৩৯৮১২ মোঃ পারভেজ মিয়া সর্ব থানা সবুজবাগ, ডিএমপি ঢাকাগণ গত ১৩ মে ২০২৬ইং নাইট ডিউটি করা কালিন মামলার এজাহার নামীয় ১নং আসামী মোঃ হানিফ তুইয়া (৪১)কে ডিবি পরিচয়ে ডেমরার সারুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে তার নিকট হইতে জব্দকৃত মালামাল উদ্ধার করেন। যাহা আমি স্থানীয় সূত্রে জেনেছি । অথচ এই মামলার বিষয়ে আমি কিছু জানেন না বলে জানান দীন ইসলাম। কিন্তু পরভর্তিতে ঐ মাদকের সেইম মামলায় এসআই সৈকত তার সঙ্গীয় ফোর্সসহ উদ্দ‍্যেশ‍্য প্রণোদিত হয়ে আমাকে ঐ মামলায় নাম জড়িয়ে যাহা সম্পূন্ন মিথ‍্যা বানোয়াট।

অভিযোগ আছে উক্ত মামলার ১নং স্বাক্ষী জাহিদ হাসান(২৬)এর কাছে মামলার আসামী দীন ইসলাম’কে চিনেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন দীন ইসলাম’কে আমি কখনও দেখি নি চিনি ও না এসআই সৈকত স‍্যার আমার নাম আর বাবার নাম জিজ্ঞেস করছে আমি তাই দিয়েছি।

এই বিষয়ে ভুক্তভোগী দীন ইসলাম বলেন,এসআই (নিঃ) সৈকত হোসেন সানি, এবং এসআই/আব্দুল কাইয়ুম নিজেদের লাভোবান হওয়ায় জন্য তার নাম ইচ্ছাকৃত ভাবে মামলায় আমার নাম দিয়া আমার নিকট হইতে মোটা অংকের টাকা সরাসরি দাবী করিতেছে।মামলার হইতে বাঁচতে চাইলে মোটা অংকের টাকা দিতে হবে। নতবা পরবর্তীতে সবুজবাগ থানায় যত বড় বড় মামলা হবে সবগুলো তার নাম ঢুকাইয়া দিবে বলে ও হুমকি দেয়।এসআই সৈকতের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ বলে ও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনুচ্ছুক সবুজবাগ থানাধীন এলাকার স্থানীয় এক ব‍্যবসায়ী বলেন এসআই সৈকত দীর্ঘদিন এক থানায় থাকার কারনে এলাকার সকল মাদক ব‍্যবসায়ীদের সাথে তার যোগাযোগ আছে অনেক মাদক ব‍্যবসায়ীর কাছ থেকে মাসিক একটা অর্থ নেন বলে ও জানান তিনি।

অভিযোগ আছে এসআই সৈকত হোসেন সানি ৫ আগষ্টের পরে ডিএমপি সবুজবাগ থানায় যোগদান করেন।যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকান্ডে তিনি সবার পরিচিত মুখ হয়ে উঠেন।

থানা সূত্রে জানা যায় এসআই সৈকত এর বিভিন্ন অপকর্মের প্রমানিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলমান রয়েছে সেই প্রেক্ষিতে তার সবুজবাগ থানা থেকে বদলী হয়েছে।বদলী হওয়ার পরও কোনো এক অদৃশ‍্য খুঁটির জোরে তিনি সবুজবাগ থানায় আছেন বহাল তবিয়তে তা কারো জানা নেই..?

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন,পুলিশের বিপদগামী কোনো সদস‍্যের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ আসে সেটা দ্রুত সময়ের মধ‍্য খতিয়ে দেখা উচিত ।কারন ব‍্যক্তির দায়বার কখনও প্রতিষ্ঠান নিতে পারে না। তাই সুস্থ তদন্তের মাধ‍্যমে অভিযোগ প্রমানিত হলে তাকে বাহিনী থেকে সরিয়ে দিয়ে তার বিরুদ্ধে বাহিনীর আইননানুগ ব‍্যবস্থা গ্রহন করা জরুরী।

এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ডিসি(মিডিয়া)এন এম নাসিরুদ্দিন কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ডিএমপির কোনো পুলিশ সদস‍্যের বিরুদ্ধে মাদক সেবক ও কেনা বেচা ও মাদক কারবারীদের সাথে উঠাবসা থাকলে আমাদের কাছে প্রমানিত হলে আমরা তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আমরা ব‍্যবসা নিবো।

অভিযোগের বিষয়ে সবুজ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সাইফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়টি আপনার মাধ‍্যমে জানতে পারলাম আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে এসআই সৈকত হোসেন সানির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,পুলিশের চাকুরী করি ভাই মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে গেলে এমন অভিযোগ আসবে জেনে শর্ট বেড নিয়ে চাকুরী করি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page