মোহাম্মদ সাইদুলহক
চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা)
চৌদ্দগ্রামের আলোচিত হৃদয় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন
চিওড়া মাই স্কুল ও মাদ্রাসার সম্মানিত চেয়ারম্যান এবং চিওড়া সোসাইটি ঢাকার সভাপতি আলহাজ্ব শাহনেওয়াজ কাজল।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি উপজেলার ধোরকরা গ্রামের শাকতলা পশ্চিমপাড়ায় নিহত হৃদয়ের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।শাহনেওয়াজ কাজল বলেন, “বর্তমান সমাজে দুষ্কৃতকারীদের কোনো দল, মত বা পরিচয় নেই। তারা সর্বদাই দেশ, সমাজ ও মানবতার শত্রু। যারা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “হৃদয় হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা অত্যন্ত জরুরি। শুধু হত্যাকারীদের গ্রেফতার করলেই হবে না, এর নেপথ্যে কারা রয়েছে এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে বের করে আনতে হবে। সত্য উদঘাটন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সমাজে আইনের শাসন নিশ্চিত করা সম্ভব।”
তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাই যদি নীরব থাকে, তাহলে আজ একজন, কাল আরেকজন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাবে। তাই সমাজের সচেতন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলেই দুষ্কৃতকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হবে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেম্বার ও অবসর প্রাপ্ত (বিডিআর) নেছার আহমেদ। মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, মাহবুবুল হক, ইয়াসিন, শহিদুল ইসলাম সহ
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকাবাসী। তারা হৃদয় হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, হৃদয় ধোরকরা গ্রামের শাকতলা পশ্চিমপাড়ার মরহুম হেদায়েতুল্লাহ (হেদু মিয়া)-এর ছোট ছেলে। সম্প্রতি দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে তিনি নিহত হন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।