ভিডিওচিত্রভিত্তিক মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

শাহ হাবিবুর রহমান হাবিবের অপপ্রচারের নেপথ্যে চাঁদাবাজি, সম্পত্তি জালিয়াতি ও প্রতারণার বিস্তৃত নেটওয়ার্ক

সম্প্রতি শাহ হাবিবুর রহমান হাবিব নামক একজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে একটি ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলনের নামে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালিয়েছেন। আমি মোঃ তারেক আহমেদ, এই সংবাদ সম্মেলনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ, ঘৃণা এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।

এই ভিডিও প্রচারের আগেই উক্ত ব্যক্তি আমাদের পরিবারের ওপর নানা কৌশলী হুমকি, মানসিক চাপ এবং গোপনে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। তিনি সরাসরি হুমকি দেন—চাহিদামতো টাকা না দিলে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে একটি ‘ভিডিও নাটক’ বানিয়ে তা প্রচার করবেন। আমরা অন্যায় দাবির কাছে নত না হওয়ায়, তিনি পরিকল্পনা অনুযায়ী সেই অপচেষ্টার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন।

উল্লেখ্য, শাহ হাবিবুর রহমান হাবিব আমাদের পরিবারের কেউ নন। তিনি একসময় আমাদের বাড়ির একজন গৃহকর্মী ছিলেন। বর্তমানে নিজেকে মরহুম মিয়া ইসমাইল হোসেনের সন্তান দাবি করে সম্পূর্ণ মিথ্যা পরিচয়ে সম্পত্তি দাবি করছেন- যা প্রতারণা ও জালিয়াতির শামিল।

পারিবারিক প্রেক্ষাপট ও বৈধ মালিকানা

আমার মরহুম দাদাজান মিয়া ইসমাইল হোসেনের প্রকৃত সন্তান মিয়া বাবর হোসেন বহু আগেই পারিবারিক অংশ থেকে নিজ সিদ্ধান্তে সরে গিয়ে নিজের অংশ স্বেচ্ছায় ও লিখিত দলিলের মাধ্যমে তাঁর আপন ভাই মিয়া আমির হোসেন (টুটুল)-এর কাছে হস্তান্তর করেন এবং অন্যান্য জমিজমাও বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করে দেন। ঐ দলিল ও প্রমাণাদি আমাদের হেফাজতে রয়েছে।

বর্তমানে উক্ত জমিতে মিয়া আমির হোসেনের পরিবার (স্ত্রী ও সন্তানগণ) পুরোপুরি বৈধ মালিকানায় বসবাস করছেন। তাঁর নামে দলিল, নামজারি, খাজনা পরিশোধ এবং রেকর্ডভুক্ত সরকারি কাগজপত্র রয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা এই তথ্য সম্পর্কে সম্যক অবহিত এবং প্রয়োজনে সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত।

শাহ হাবিবুর ও বাবর হোসেনের প্রতারণার জাল

এই দুই প্রতারক- বাবর হোসেন ও তার সহযোগী সাবেক গৃহকর্মী হাবিব-
এতটাই বেপরোয়া যে, বাবর হোসেন নিজের ফুপুকে “মা” বলে তার শত বিঘা জমি জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের নামে লিখিয়ে নেন এবং রাতারাতি খুলনার তেতুলতলায় প্রায় ১০০ বিঘা জমি বিক্রি করে ঢাকায় পালিয়ে আসেন।

তিনি নিজের পিতার বণ্টিত জমিসহ ফুপুর শত শত বিঘা জমি আত্মসাৎ করে ফেলেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকেও সম্পত্তি লিখে নেন এবং এর নথি বিকৃত করেন। বর্তমানে তার নতুন কৌশল-
যাদের জমি একসময় বিক্রি করেছেন, সেই জমিগুলোর মালিকানা ফের দাবি করা! শুধু তাই নয়, সে যখন যেখানে টাকা পায়, সেখানে অন্যদের হয়ে “ভাইসাব বলছে” বলে নিজে কমিশন নিয়ে মধ্যস্থতার নামে টাকা আদায় করেন।

তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তার নামে প্রকাশিত একটি সংবাদপত্রের মালিকানা পাঁচজনের কাছে বিক্রি করে তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

প্রতারণা থামাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কাম্য

এই ঘটনায় আমি কেশবপুর থানা পুলিশ, খুলনা জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি-

ভিডিও সংবাদ সম্মেলনের আড়ালে থাকা প্রতারণামূলক উদ্দেশ্য, অর্থ চাঁদাবাজি, এবং জমি জালিয়াতির ঘটনা তদন্ত করে
শাহ হাবিবুর রহমান হাবিব ও বাবর হোসেনের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

গণমাধ্যম ও জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ

গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণের প্রতি বিনীত অনুরোধ- যাচাই-বাছাই না করে এমন বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকুন।
আমরা বরাবরই সত্য, ন্যায় এবং নৈতিকতার পক্ষে ছিলাম, আছি এবং থাকব ইনশাআল্লাহ।


Tags:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *