টানা পাঁচ ম্যাচে জোড়া গোল, মায়ামিতে উড়ছেন মেসি

এমএলএসে শেষ চার ম্যাচে মন্ট্রিয়াল, কলম্বাস ক্রু, ক্লাব বিশ্বকাপে নিজেদের পর্ব শেষ করে ফের মন্ট্রিয়াল ও নিউ ইংল্যান্ড রেভ্যুলেশনের বিপক্ষে জোড়া লক্ষ্যভেদ করেন মেসি।

আমেরিকান মেজর লীগ সকারে (এমএলএস) আগের চার ম্যাচে টানা জোড়া গোল করে ইতিমধ্যে রেকর্ড করেছেন লিওনেল মেসি। আজ সেটিকে আরেকটু বাড়িয়ে রাখলেন ইন্টার মায়ামির এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। সকালের ম্যাচেও ন্যাশভিলের বিপক্ষে দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন মেসি, মায়ামিও জিতেছে ২-১ গোলে। ম্যাচের প্রথম গোলটি ফ্রি কিক থেকে করে আরেকটি দুর্দান্ত রেকর্ড গড়েছেন মায়ামি অধিনায়ক।

এর আগে লীগে এমন কিছু কেউ কখনও করতে পারেননি। ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে ৯টি শটের মধ্যে ৫টিই লক্ষ্যে রাখে ম্যাচ জুড়ে ৫৪ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে রাখা মায়ামি। ন্যাশভিলের ৮টির মধ্যে স্রেফ ২টি শট থাকে লক্ষ্যে। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে ডি বক্সের প্রায় মাঝ বরাবর একটু সামনে ফাউলের শিকার হন ৩৮ বছর বয়সী মেসি। আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের ফ্রি কিকের জন্য এমন জায়গা যে খুবই পছন্দের, সেটিই আরেকবার দেখালেন তিনি। বক্সের ভেতরে থাকা মানবদেয়ালের অনেকটা মধ্য দিয়েই লক্ষ্যভেদ করেন মেসি। এই গোলের সঙ্গেই ফ্রি কিকে অনন্য উচ্চতায় উঠেছেন তিনি। ফ্রি কিক থেকে এখন চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলের মালিক এই আলবিসেলেস্তে ফরোয়ার্ড (৬৯)। এই তালিকায় মেসি পেছনে ফেললেন ব্রাজিলের মার্কোস আসুনসিওকে (৬৮)। এখন আর্জেন্টাইন মহাতারকার সামনে শুধু জুনিনহো (৭২), রবার্তো দিনামাইট (৭৫) ও মার্সেলিনো কারিওকা (৭৮)। এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা। মাঠে ফিরে মিনিট চারেকের মধ্যেই সমতাসূচক গোলটি করে সফরকারীরা। মায়ামিকে রক্ষা করতে আরেকবার ত্রাতা হয়ে আসলেন সর্বোচ্চ আটবারের ব্যালন ডিঅরজয়ী মেসি। শুধু লক্ষ্যভেদই করলেন না, দেখালের দারুণ নৈপুণ্যও। ন্যাশভিল গোলকিপার জো উইলিস পাস দিয়ে বসেন বক্সের ভেতরে থাকা মেসিকে। এমন সুযোগ কি আর মেসি মিস করেন! গোলকিপারকে তো কাটালেনই, গোলপোস্টের সামনে চলে আসা আরেক প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকেও বোকা বানিয়ে জালে বল জড়ান তিনি। এই নিয়ে ১৬ ম্যাচে ১৬ গোল করে এমএলএসে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে এসেছেন মেসি। ২২ ম্যাচে সমানসংখ্যক গোল করে তার সঙ্গেই আছেন ন্যাশভিলের স্যাম সারিজ।

লীগে শেষ ৬ ম্যাচে অপরাজিত থাকা মায়ামি ১৯ ম্যাচে ১১ জয়, ৫ ড্র ও ৩ হারে ইস্টার্ন কনফারেন্স টেবিলের পাঁচে অবস্থান করছে। প্রথম চার দলের প্রত্যেকে মায়ামির চেয়ে ৩টি করে ম্যাচ বেশি খেলেছে।


Posted

in

by

Tags:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *