May 29, 2026, 6:17 pm
শিরোনাম :
চিতলমারীবাসীকে ফারজানা আক্তারের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ঈদযাত্রা ও পশুর হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে র‌্যাব-১০ এর ব্যাপক প্রস্তুতি বান্ধাবাড়ি ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা— মোঃ হান্নান মোল্লা এসআই সৈকত সহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়সহ চার দপ্তরে লিখিত অভিযোগ এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর রুরাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) এর ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বেস্ট রিপোর্টিং সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন আরজেএফ সেরা সংগঠক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কাশিয়ানী রিপোর্টার্স ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সংবাদিক মিলটন খান। প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ গ্রহণ করলেন শেরপুরের মো: রিয়াজ প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ গ্রহণ করলেন শেরপুরের রোজিনা আক্তার তিশা ৮৫ বিশিষ্ট নাগরিকের সংহতি নারী-শিশু নির্যাতন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি

মঙ্গল-বুধবার বাগেরহাটে সকাল- সন্ধ্যা হরতাল মহাসড়ক অ*বরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার দাবিতে তৃতীয় দফা আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনে সোমবার জেলাব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা পূর্ণদিবস হরতাল ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ও কাল বুধবার দুই দিন জেলাব্যাপী অর্ধদিবস হরতাল প্রত্যাহার করে দুই দিন সকাল ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত জেলা-উপজেলা নির্বাচন অফিস অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি। সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ে চলমান আন্দোলনের এই সংশোধিত কর্মসূচি ঘোষণা করেন সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির আহ্বায়ক জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম। এ সময় তিনি বলেন, জেলার চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কঠোর আন্দোলন চলবে।

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত গেজেটে বাগেরহাট-১ (বাগেরহাট সদর-চিতলমারী-মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (ফকিরহাট-রামপাল-মোংলা) ও বাগেরহাট-৩ (কচুয়া-মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) সংসদীয় আসন করা হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনের সীমানা ছিল বাগেরহাট-১ (চিতলমারী-মোল্লাহাট-ফকিরহাট), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর-কচুয়া), বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) ও বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)।

বিএনপি-জামায়াতসহ সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির ডাকা এই হরতাল চলাকালে জেলার ছয়টি মহাসড়কের ওপর দিয়ে দূরপাল্লাার ৪৮টি রুটসহ আন্তঃজেলার যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যানসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। সকাল থেকে আন্দোলনকারীরা সড়কের বিভিন্ন স্থানের টায়ার জ্বালিয়ে ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পিকেটিং করে। ফলে মোংলা বন্দরে আমদানি-রপ্তানি পণ্য পরিবহনের কাজও বন্ধ হয়ে যায়।

সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার অফিসসহ জেলা-উপজেলার সব সরকারি অফিসের সামনে অবস্থান নিয়ে হরতালের সমর্থনে বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা মিছিল করেন। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব অফিসে ঢুকতে পারেননি। জেলার সব উপজেলাতেও সর্বাত্মক হরতাল পালিত হয়েছে। পূর্ণদিবস হরতাল ও মহাসড়ক অবরোধে কার্যত মোংলা বন্দর ও বাগেরহাট জেলা সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় মোংলা ইপিজেড, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, বাগেরহাট বিসিকসহ জেলার সব শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকরা আসতে না পারায় কল-কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকে। তবে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব ও জেলার নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ কমাতে দোকানপাট ও রিকশা-ভ্যান, অটোরিকশা, নছিমন-করিমন চলাচল হরতালমুক্ত থাকায় জীবনযাত্রা কিছুটা স্বাভাবিক ছিল। হরতালে জেলার কোথাও ভাঙচুরসহ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page