দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বেশ আগে থেকেই কাজ করছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এর অংশ হিসেবে তার তত্ত্বাবধানে ইতোমধ্যে পাঁচটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে।
তিন শ’ আসনে বিএনপির প্রায় দেড় হাজার প্রার্থী নির্বাচনের মাঠে রয়েছে। দলটির একাধিক জরিপে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের এ সংখ্যা উঠে এসেছে। তবে এ মুহূর্তে হাইকমান্ডের কাছে মূল চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে, এ বিশালসংখ্যক প্রত্যাশীদের মধ্য থেকে প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী নিশ্চিত করা। জানা গেছে, বিএনপি তফসিলের আগেই দল ও জোটের প্রার্থিতা চূড়ান্ত করতে চায়। এ লক্ষ্যে দলের অভ্যন্তরে নানামুখী তৎপরতা চলছে। দায়িত্বপ্রাপ্তরা আসনভিত্তিক মতামত নেয়া শুরু করেছেন। প্রার্থী তালিকা চাওয়া হয়েছে আন্দোলনের মিত্রদের কাছেও ।
দলকেও এ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করেছেন তিনি। বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের মাধ্যমেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারে খেঁাঁজখবর নিচ্ছেন। এ ছাড়া খোঁজ নিচ্ছেন সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের মাধ্যমেও। পাশাপাশি এখন আসনভিত্তিক প্রার্থীদেরও মতামত নিচ্ছেন তারেক রহমান। সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতার মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু করেছেন তিনি। সবকিছু মিলিয়ে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।
জানা গেছে, প্রতিটি সংসদীয় আসনে বিএনপির তিন থেকে পঁাঁচজন সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। তারা নিজ নিজ এলাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বিস্তার করেছেন, গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। দল ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফাকেন্দ্রিক প্রচারণা চালাচ্ছেন। ঢাকাকেন্দ্রিক নেতারা শুক্র-শনিবার হলেই এলাকামুখী হচ্ছেন। আর যাদের ঢাকাকেন্দ্রিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণ কম, তারা এলাকাতেই রয়েছেন। মানুষের মন জয়ে তারা নানা কর্মকাণ্ডের সাথে নিজেদের যুক্ত রেখেছেন। কোনো কোনো প্রার্থী বিভিন্নভাবে দলের হাইকমান্ডের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ লন্ডনেও যাচ্ছেন। নিজের সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন। এ ছাড়া দলের বিভিন্ন পর্যায়েও যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।

Leave a Reply