অবৈধ পলিথিন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিমাসে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে নাহিদের বিরুদ্ধে !

আইন অনুযায়ী পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ। পলিথিন উৎপাদ করলে ১০ বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। কিন্তু আইন প্রয়োগ করে পরিবেশ বিধ্বংসী পলিথিন বন্ধ করার যেন কেউ নেই। শুধু রাজধানী ঢাকাতেই প্রতি দিন ১ কোটি ৪০ লাখ পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে। এ হিসেবে প্রতিমাসে ব্যবহার হচ্ছে ৪১ কোটি পিস। পলিথিন ব্যবসায়ীদের দৌরাত্বের কারণে পাটপণ্য ব্যবহারও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

রাজধানীর চকবাজার, লালবাগ,হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচর, সূত্রাপুর,সাভারসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় পলিথিনের ফ্যাক্টরী গড়ে উঠেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী ফ‍্যাসিস্টের দোসর বৈষম‍্য বিরোধী ছাত্র হত‍্যার একাধীক মামলার আসামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ চকবাজার ৩০ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আমিনুল হক মুরাদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান পূর্বে মধু ট্রান্সপোর্ট বর্তমানে রহমানিয়া ট্রান্সপোর্টের মাধ‍্যমে ঢাকা থেকে বগুড়ায় অবৈধ পলিথিন পাঠানো হয় যাহা সম্পূন্ন বেইনী। বগুড়ায় সেই বেইনী পলিথিনের সিন্ডিকেটের একক নিয়ন্ত্রণ করেন বগুড়া শহর বিএনপি প্রকাশনা সম্পাদক ও বগুড়া ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আফজাল শেখ নাহিদ।

অভিযোগ আছে বগুড়া বিএনপি নেতা আফজাল হোসেন নাহিদের একক সিন্ডিকেটে বগুড়ায় অবৈধ পলিথিনের বাজার নিয়ন্ত্রণ হয়। অবৈধ পলিথিনের ব‍্যবসায়ীদের জিম্মি করে নাহিদ প্রতিমাসে চাঁদা তুলেন ১২ লক্ষ টাকা।

নামপ্রকাশে অনুচ্ছুক বগুড়ার এক অবৈধ পলিথিন ব‍্যবসায়ী বলেন,ঢাকা থেকে আমাদের পলিথিনের কাভার্ডভ‍্যান বগুড়া ঢুকলে নাহিদ তার সহযোগি রাম বাবু ও সাত্তার’কে দিয়ে কাভার্ডভ‍্যান আটক করে ব্ল‍্যাংকমেইল করে টাকা আদায় করেন। আমার মতো প্রতিটি অবৈধ পলিথিন ব‍্যবসায়ীদের কাছ থেকে একটি কাভার্ড ভ‍্যানে ১২০ বস্তা পলিথিন আসে।এক বস্তা পলিথিনের জন‍্য নাহিদ’কে দিতে হয় ৫০০ টাকা, ১২০ বস্তা পলিথিনে নাহিদের পকেটে যায় ৬০ হাজার টাকা।কখনও দুই গাড়ি গেলে নাহিদ পায় প্রতিদিন ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ।গড়ে হিসাব করলে নাহিদের পকেটে যায় ১২ লক্ষ টাকার অধিক।

বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ রেজাউল করিম বাদশা কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার বগুড়ায়
কেউ দলের নাম ভাঙ্গিয়ে কাউকে হয়রানি অথবা চাঁদাবাজি করলে তাকে ধরে পুলিশে ধরিয়ে দিবেন,আমার দল বিএনপিতে কোনো চাঁদাবাজের ঠাই নেই।

অভিযোগের বিষয়ে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বলেন,এই ধরনের কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি আসলে আমরা ব‍্যবস্থা নিবো।
অনুসন্ধানে জানা যায়,ফ‍্যাসিস্টের দৌষর মুরাদের ম‍্যানেজার মোশারফ ও জুবায়ের কাছে থেকে এই টাকা কালেকশন করেন নাহিদের সহযোগী রামবাবু ও সাত্তার।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আফজাল হোসেন নাহিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার শত্রু থাকতে পারে তারা এসব করতেছে কারন আমি কাউন্সিলর নির্বাচন করবো তার জন‍্য আমার প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ‍্যা অপবাদ দিয়েছে আপনাদের।


Posted

in

by

Tags:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *