চাঁদা না দেওয়ায় ফার্মগেটে দোকানীকে মারধর

গণঅভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতনের পর শূন্যের ঘরে নেমে এসেছিল রাজধানীর ফার্মগেটের ফুটপাতের চাঁদাবাজি। সুসময় টেকেনি বেশি দিন সাধারণ মানুষের। আবারও চাঁদাবাজরা ফিরেছে পুরোনো চেহারায়। আগের চেয়ে বরং ফুটপাত-রাজপথে বেড়েছে হকার। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেড়েছে চাঁদার অঙ্ক। কোথাও কোথাও এসেছে নতুন চাঁদাবাজ।

অনেক এলাকায় আওয়ামী লীগের বদলে চাঁদাবাজের তালিকায় উঠেছে নতুন নাম। চাঁদাবাজির হোতা হিসেবে রাজধানীর দুয়েকজন সন্ত্রাসীর নামও সামনে আসছে। কোনো এলাকায় বদল হয়েছে লাইনম্যানের। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ আগের চেয়ে অনেকটাই কম।

ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হল থেকে তেজগাঁও কলেজ পর্যন্ত প্রায় আটশো থেকে হাজার খানেক হকার প্রতিদিন বসে। আগে শুধু ফুটপাতে দোকান থাকলেও এখন মূল সড়কেও দু’সারিতে বসেছে দোকান।

মো: কাজী আব্দুল আলিম প্রতিদিনের ন্যায় ১২ মে মঙ্গলবার নিজের কাপড়ের দোকান নিয়ে তেজগাঁও কলেজের পাশে ইন্দ্রুপুড়ি হোটেলের সামনে বসেন। রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে আব্দুল আলিমের দোকেনে ফিরোজ, মৃদুল, সাবু, আওলাদ, নিশাত, শাহাদাৎ হোসেন দূর্জয়সহ বেশ কয়েকজন এসে চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে অস্বকৃতি জানালে শুরু করে গালাগালি। হট্টগোল দেখে আলিমের পরিচিত সজিব খান এগিয়ে আসলে সজিবের উপর দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রসহ কিল-ঘুষি ও মারধর শুরু করে। আনোয়ার হোসেন পাপ্পু নামে আরেক জন এগিয়ে আসলে আনোয়ারকে ও মার ধর করে চাঁদাবাজরা।

পরবর্তীতে মো: সজিব খাঁন বাদি হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় উল্লেখিত চাঁদাবাজদের নামে অভিযোগ দায়ের করেন । ভৃক্তভোগীরা বলেন সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই প্রশাসন বুঝতে পারবে আমাদের ওপর কি নির্যাতন হয়েছে।

অভিযুক্তদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে কাউকেই পাওয়া যায়নি ।


Posted

in

by

Tags:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *