পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্ন যাত্রা এবং পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১০।
এক বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-১০ এর অধিনায়কের পক্ষে সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সিনিঃ সহকারী পুলিশ সুপার তাপস কর্মকার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঈদের ছুটিতে চুরি-ছিনতাই, ডাকাতি, অজ্ঞান ও মলম পার্টির তৎপরতা রোধে রোবাস্ট পেট্রোলিংয়ের পাশাপাশি সাদা পোশাকে র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা ও হয়রানি রোধে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এবং গোয়ালন্দ ফেরিঘাটে বিশেষ কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বাস ও লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে কন্ট্রোল রুমে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাস বা ট্রেনের ছাদে এবং পণ্যবাহী ট্রাকে ভ্রমণ না করতে এবং অপরিচিতদের দেওয়া খাবার খেতে নিষেধ করা হয়েছে।
কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তার বিষয়ে জানানো হয়, এক হাটের পশু জোরপূর্বক অন্য হাটে নেওয়ার চেষ্টা বা চাঁদাবাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুরুত্বপূর্ণ পশুর হাটগুলোতে মেশিন দিয়ে জাল টাকা শনাক্তকরণ এবং বাস টার্মিনাল ও পশুর হাটে ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। এছাড়া অনলাইনে পশু কেনার ক্ষেত্রে ভেরিফায়েড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার ও ক্যাশ অন ডেলিভারি পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সার্বিকভাবে, সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত এবং দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-১০ এর এই নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।