আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ অধিদপ্তর (আইএসপিআর) তাদের সর্বশেষ তথ্যে জানিয়েছে, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহতের সংখ্যা ১৬৫ জন। আর নিহতের সংখ্যা ৩১ জন।
উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর যুুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় হতাহতদের তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি কাটছেই না। নিহত ও আহতদের চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ না হওয়ায় নানা পক্ষ এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুর্ঘটনা ঘটায় এখানে হতাহতের তথ্য লুকানোর সুযোগ নেই। তবে ঘটনার তিনদিন পরও নিহত এবং আহতদের পুরো তালিকা প্রকাশ করতে না পারায় প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এছাড়া দুর্ঘটনার উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রমে যুক্ত সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেয়াও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে কেউ কেউ মনে করছেন। এছাড়া পতিত ফ্যাসিবাদের সমর্থক গোষ্ঠীও দুর্ঘটনা নিয়ে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলে সরকারের তরফে মনে করা হচ্ছে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শুরু থেকেই আহত ও নিহতের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আসছে গণমাধ্যমে। তাদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ৩১ জন। কিন্তু গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক হিসাবে নিহতের সংখ্যা দেয়া হয়েছে ২৯ জন। গতকাল বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নিহতদের নাম-পরিচয় দিয়ে শোকবার্তা জানিয়েছে। সেখানেও তারা ২৯ জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে। আর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকেও ২৯ জন নিহতের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে ৬৯ জন আহতের হিসাব দেয়া হয়েছে। আর আইএসপিআর’র সর্বশেষ তালিকায় ১৬৫ জন আহত কোন কোন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে সেই হিসাব দিয়েছে। তবে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী হাসপাতালে এখন ৫৭ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এদিকে, আহত-নিহতদের পরিসংখ্যান নিয়ে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঘটনার তিন দিনেও কোনো তালিকা তৈরি করেনি। তবে তালিকা করার জন্য তারা একটি কমিটি গঠন করেছে। তালিকা নিয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণী পর্যায় থেকেও বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য আসছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তথ্য গোপন করার ইচ্ছা বা প্রয়াস সেনাবাহিনীর নেই।