May 29, 2026, 5:26 pm
শিরোনাম :
চিতলমারীবাসীকে ফারজানা আক্তারের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ঈদযাত্রা ও পশুর হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে র‌্যাব-১০ এর ব্যাপক প্রস্তুতি বান্ধাবাড়ি ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা— মোঃ হান্নান মোল্লা এসআই সৈকত সহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়সহ চার দপ্তরে লিখিত অভিযোগ এশিয়া পোস্টের সম্পাদককে হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের আইনি নোটিশ মাসুদ সাঈদীর রুরাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) এর ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বেস্ট রিপোর্টিং সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন আরজেএফ সেরা সংগঠক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কাশিয়ানী রিপোর্টার্স ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সংবাদিক মিলটন খান। প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ গ্রহণ করলেন শেরপুরের মো: রিয়াজ প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ গ্রহণ করলেন শেরপুরের রোজিনা আক্তার তিশা ৮৫ বিশিষ্ট নাগরিকের সংহতি নারী-শিশু নির্যাতন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি

জাতিসংঘের শীর্ষ জলবায়ু সম্মেলনে ই-বাংলার সম্পাদক শেখ ইস্রাফীল হাওলাদার

Reporter Name

ই-বাংলার সম্পাদক শেখ ইস্রাফীল হাওলাদার ২৯ নভেম্বর (বুধবার) বিকেল পাঁচটায় দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে ইউএস বাংলা এয়ার লাইন্সে ঢাকা ত্যাগ করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আয়োজনে আগামী ৩০ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) থেকে এ জলবায়ু সম্মেলন দুবাইতে শুরু হবে। ১২ দিন ব্যাপী এ সম্মেলনে বিশ্বের প্রায় ৭০ হাজার প্রতিনিধি সহ ১৯৮ দেশের সিনিয়র মন্ত্রী এবং উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দ অংশ নেবেন।
তবে এর মধ্যে বিভিন্ন দেশের জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ ও সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শ্রেণীর এবং পেশার লোকজন রয়েছে। তারা জলবায়ু পরিবর্তনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া এবং আশু করনীয় বিষয়ে দিক নির্দেশনা মূলক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন।
জলবায়ু সম্মেলন (কপ-২৮) বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। এ বৈঠকের আয়োজনে থাকবেন কপ-২৮ এর সভাপতি সুলতান আল জাবের।

আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অভ্যন্তরীণ কার্বন নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে রপ্তানিকৃত সৌর বায়ু বৃদ্ধির বিষয়ে সম্মেলনের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর আশু করনীয় পদক্ষেপ এবং তহবিল সংগ্রহের বিষয়ে আলোচনায় আসবে।

বনভূমি বা বৃক্ষ কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উৎপাদিত হয় ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ খ্যাত আমাজনের চিরহরিৎ বন থেকে। তার থেকেও বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নেয় এই বনভূমি। প্রায় ২০০ কোটি মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে ৭০ লাখ বর্গকিলোমিটার আয়তনের বিশাল এই বনাঞ্চল। তাই যত বেশি সম্ভব সবাইকে গাছ রোপন করতে হবে। একইসঙ্গে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সাইকেল বা জনপরিবহনের ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে। তাছাড়া বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহারও জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশ্বের সকল দেশকে এক সঙ্গে এ জন্য কাজ করতে হবে। তারা যদি বর্তমান শতকের মাঝামাঝি অর্থাৎ ২০৫০ সাল নাগাদ গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে পারে, অর্থাৎ যেটুকু গ্যাস নিঃসরিত হবে তা অতিরিক্ত গাছ লাগানোর মত ব্যবস্থা নিতে পারে তবে ভারসাম্য রাখা সম্ভব হবে।

দেশগুলো যদি তা করতে পারে তাহলে তাপমাত্রা বৃদ্ধির দ্রুত গতি কমিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয়কর পরিণতি এড়ানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page