September 21, 2026, 8:43 am
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে ১০৬.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য বিজিএফসিএলের অপ্রতিম হত্যার বিচার সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্পন্ন হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অপ্রতীম হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, ১ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় ইতালি সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই রেমিট্যান্স ২৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জুলাই শহিদ মুগ্ধর পরিবারের সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাজী মনিবুর রহমান নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা: নিরাপত্তাবিধি ছাড়াই কাজ চলাকালে মাচা ভেঙে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৩

চিকিৎসার জন্য আবার লন্ডন যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চিকিৎসার জন্য আবার লন্ডন যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে তার ফলোআপের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এনিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চেয়েছে বিএনপি। অন্তর্বর্তী সরকার এবং দলটির নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র রোববার সন্ধ্যায় মানবজমিনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানিয়েছে, চিকিৎসকরা লন্ডনে তার চিকিৎসার ফলোআপকে জরুরি মনে করছেন। গত ৮ই জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান বেগম খালেদা জিয়া। সেখানে প্রায় ৪ মাস ছিলেন তিনি।

জানুয়ারি মাসের প্রায় পুরোটা সময় ছিলেন হাসপাতালে ভর্তি। পরের ৩ মাস ছিলেন বড় ছেলে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসায়। সেখানে থেকে তার চিকিৎসার ফলোআপ হয়। স্মরণ করা যায়, একের পর এক মামলা আর আদালতকে প্রভাবিত করা রায় দিয়ে অসুস্থ বেগম জিয়াকে দীর্ঘদিন কারারুদ্ধ এবং গৃহবন্দি করে রাখে শেখ হাসিনার সরকার। সে সময় তার উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতে বিদেশে পাঠাতে সরকারের প্রতি অনুরোধ করে তার পরিবার বিএনপি এবং মিত্র রাজনৈতিক দলগুলো।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তরফেও তার চিকিৎসার অধিকারের বিষয়ে সচেতন থাকতে সরকারকে পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু না, পতিত সরকার কোনো অনুরোধ বা আহ্বানের পরোয়া করেনি বরং বেগম জিয়ার অসুস্থতাকে নিয়ে তীর্যক এবং ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করা হয়। ৫ই আগস্ট ২০২৪ ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত গণ-অভ্যুত্থানের মুখে টিকতে না পেরে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার সরকারের মন্ত্রী-উপদেষ্টা, এমপি এবং দলের শীর্ষ নেতাদের স্থান হয় জেল কিংবা লোকচক্ষুর অন্তরালে। হাসিনা সরকারের পতনের সঙ্গে সঙ্গে পুরোপুরি মুক্ত হন খালেদা জিয়া। সর্বাগ্রে তার চিকিৎসা নিশ্চিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারের আমীরের পাঠানো বিশেষ এয়ার এম্বুলেন্সে তিনি ঢাকা ছেড়ে যান। এয়ারবাস এ-৩১৯ মডেলের ওই এয়ারক্রাফটে ভেন্টিলেটর, ডিফিব্রিলেটর, ইনফিউশন পাম্প ও উন্নত কার্ডিয়াক মনিটরসহ জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল।