বদলে যাচ্ছে বিএনপির মাঠের চিত্র। আর্বিভাব ঘটছে হাইব্রিডদের।আন্দোলনের মাঠে ছিলেন না, মামলা-হামলা কিংবা নির্যাতনের মুখেও ছিলেন না, ঘরছাড়াও হতে হয়নি। বিগত দিনে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন, তাল মিলিয়ে চলেছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে। তারাই এখন বিএনপির দাপুটে ‘হর্তাকর্তা’।
তাদের সঙ্গে যোগ হয়েছেন নব্য বিএনপি নামধারী অনেকে। যারা কখনোই বিএনপিতে সম্পৃক্ত ছিলেন না, তারাই এখন নানা জায়গায় দখল পর্বে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
নিজ স্বার্থের জন্য এই ধরনের অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েছেন বিএনপির কিছু স্বার্থলোভী নেতাকর্মী।তাদের জন্য বিএনপির বদনাম হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
সাম্প্রতিক সময়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার একটি অভিযোগের সত্যতা খুঁজতে বেরিয়ে আশে ‘চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।অভিযোগ আছে পুর্ব নাখালপাড়া সিএমবি রিকশা গ্যারেজ মাদকের রমরমা ব্যাবসা এবং সন্ধা হতে না হতেই জমে উঠে জুয়া ও মাদকের রমরমা আড্ডা চলে সারারাত।প্রতিদিন রাতে শুনতে পাওয়া যায় মানুষের কান্নার শব্দ ও চিৎকার চেঁচামেচি।প্রতিদিন এখানে নিরীহ মানুষের কাছ থেকে কোনো না কোনো অজুহাতে আদায় করা হয় মোটা অংকের টাকা।যাকে বর্তমানে বলা হয় মব বা কট দেওয়া।আর তাদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে না পারলে তাদের কে করা হয় বেদর মারধর ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,এই জায়গাটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিএমবি বলতেই সবাই যাকে এক নামে চিনে আওয়ামী লীগের দোষর ইউসুফ নবী ও তার ক্যাডার বাহিনী। ইউসুফ নবীর ক্যাডার বাহিনীতে তৎকালিন যারা ছিলেন বর্তমানে ও তারা আছেন,তাদের মধ্যে অন্যতম আরিফ,মানিক,বাবু,মনির,পিয়াস,শুভ।
ফ্যাসিষ্টের দৌষর হিসেবে যারা স্বীকৃত ছিলো তারা এখন বিএনপির অনুপ্রবেশ কারী।তারাই এখন চালাচ্ছেন এই সকল অপকর্ম।
বর্তমানে ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন এর ক্যাসিয়ার ও তার ঘনিষ্ঠ ছোট ভাই ২নং ইউনিটের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সেই ফ্যাসিষ্টদের দিয়ে এই স্পট চালিয়ে যাচ্ছে।
নামপ্রকাশে অনুচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বিএনপির নেতা বলেন,পুলিশ প্রশাসন বিভিন্ন জোট ঝামেলা দেখেও না দেখার বান করে আছেন,কারন বিএনপি নেতা মামুনুর রশীদ মামুন তাদের সেল্টার দিচ্ছেন নিজের সুবিধার জন্য।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,বিএনপির সকল প্রোগ্রামে মামুনুর রশীদ মামুন এর সাথে ফ্যাসিষ্টের দোষরদের দেখা যায়।
যারা ছিলো নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ তারা এখন বিএনপি ও যুবদলের নাম ভাঙিয়ে চলে।
অনুসন্ধানে উঠে আসে,বিএনপি নেতা মামুন তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিএনপির সদস্য ফরম নবায়ন করে দেয়।তারা সবাই বিগত আওয়ামী লীগের সময় বিভিন্ন সংগঠনের পোস্ট ধারী কর্মী ছিলো।
অনুসন্ধানে আরো উঠে আসে,২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুনের নেতৃত্বে টাকার বিনিময়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা মৎস্যজীবীলীগের পোস্টধারী নেতা আরিফ,যিনি মৎস্যজীবীলীগের কার্যকারী সদস্য আরিফকে বিএনপির সদস্য ফরম নবায়ন করে দেন।ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগের দোসরদের বিএনপিতে ফিরিয়ে আনতে উঠে পড়ে লেগেছে।
অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির এক শীর্ষ নেতা বলেন,আওয়ামীলীগ কে সুসংগঠিত করার লক্ষে বা আওয়ামীলীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দিতে যে নেতা সহযোগিতা করবে,তাকে দল থেকে অজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে ।এই ধরনের অভিযোগে আমরা যাদের সত্যতা পাচ্ছি তাদের দল থেকে একবারে বহিস্কার করে দিচ্ছি।
তিনি আরো বলেন,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা আছে এই ধরনের অপকর্মে যারা জড়াবেন তারা বিএনপি থেকে একবারে দুরে চলে যাবেন। বিএনপি এমন কুলাঙ্গারদের দলে জায়গা দিবে না।
অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি নেতা মামুনুর রশিদ মামুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি ৩১ বছর এই দলের সাথে আছি,যারা আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তারা আমার আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।