September 21, 2026, 1:05 am
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে ১০৬.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য বিজিএফসিএলের অপ্রতিম হত্যার বিচার সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্পন্ন হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অপ্রতীম হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, ১ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় ইতালি সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই রেমিট্যান্স ২৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জুলাই শহিদ মুগ্ধর পরিবারের সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাজী মনিবুর রহমান নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা: নিরাপত্তাবিধি ছাড়াই কাজ চলাকালে মাচা ভেঙে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৩

টঙ্গীতে দগ্ধদের চিকিৎসায় যত ধরনের সহযোগিতা লাগবে তা সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

মঙ্গলবার  জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের দেখতে এসে তিনি এই আশ্বাস দেন। এসময় তিনি ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।

গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল গোডাউনে আগুনে দগ্ধ ও আহত ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাওয়া সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, সোমবার একটি বড় দুর্ঘটনা হয়েছে, সেখানে আমাদের চারজন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে দু’জনের দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং একজনের দগ্ধের পরিমাণ একটু কম। এ হাসপাতালটি আন্তর্জাতিক মানের, এখানকার চিকিৎসা খুবই ভালো। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন, আপনারা সবাই আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যায়।

দগ্ধদের চিকিৎসায় যত ধরনের সহযোগিতা লাগবে তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে (ভারপ্রাপ্ত) পরিচালক অধ্যাপক মো: নাসির উদ্দিন জানান, গতকাল ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে টিম রেডি রাখা হয়। রোগী আসার সাথে সাথে আমাদের চিকিৎসকরা কাজ শুরু করে। চারজন রোগীর মধ্যে দু’জনের শতভাগ এবং একজন ৪২ শতাংশ ও একজন পাঁচ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। রোগীদের আমরা ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্রটোকল মেইনটেইন করে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। আমরা মাইলস্টোনে দুর্ঘটনায় দগ্ধদের একইভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়েছি।

তিনি জানান, তিনজন রোগীর অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাদের এইচডিইউ’তে (হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট) রাখা হয় এবং একজন ইন্টারমিডিয়েট ক্যাটাগরিতে আছে। এইচডিইউ’তে যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাদের আমরা প্রটোকল অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি এবং পর্যায়ক্রমে তাদের যে ধরনের অপারেশন লাগবে, সেই ব্যবস্থা করছি।