September 21, 2026, 6:01 pm
শিরোনাম :
গাজী নজরুলের বিষয়ে স্পিকারের চিঠির অপেক্ষায় ইসি সচিব দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৩১ বিলিয়ন ডলার জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক কুমিল্লা সীমান্তে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি আটক শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী বেকারত্ব দূর করতে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষায় অধিক গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি ২০৩০ সালের মধ্যে ১০৬.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য বিজিএফসিএলের অপ্রতিম হত্যার বিচার সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্পন্ন হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ শতাধিক পুলিশ সদস্য বদলির অনুমোদন ইসির

Reporter Name

বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন ইসির উপসচিব মো. মিজানুর রহমান।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে পুলিশ পরিদর্শকসহ বাহিনীর ৬ শতাধিক সদস্য বদলির প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে মাঠপ্রশাসন ও পুলিশে বড় ধরনের রদবদল করতে সরকারকে চিঠি দিয়েছিল ইসি। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে এ চিঠি দেওয়া হয়। দেশের সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) পর্যায়ক্রমে বদলি করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে গত ৩০ নভেম্বর পৃথক চিঠি দেয় কমিশন। ওই চিঠিতে এক বছরের বেশি সময় থাকা ইউএনও এবং ছয় মাসের বেশি সময় থাকা ওসিদের বদলির প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে বলা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ১৪ পুলিশ পরিদর্শক, একজন সার্জেন্ট, এসআই এবং এএসআই মিলে মোট ১০৫ পুলিশ কর্মকর্তা এবং ৫৩১ জন নায়েক ও পুলিশ কনস্টেবল বদলির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে ইসি। সে হিসাবে মোট ৬৩৬ পুলিশ সদস্য বদলির অনুমোদন দিল সংস্থাটি।
গত ১৫ নভেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। গত ৩০ নভেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হয়। নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে আগামী ১৮ ডিসেম্বর। আর ভোটগ্রহণ হবে আগামী ৭ জানুয়ারি। নির্বাচনে প্রচার শুরুর আগেই বদলির কাজ শেষ করতে চায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

আরও জানা গেছে, বর্তমান মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সংসদ-সদস্যদের বেশিরভাগই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন। মাঠপ্রশাসন ও পুলিশের অনেক কর্মকর্তা একই জায়গায় দীর্ঘদিন থাকার কারণে তাদের অনেকের সঙ্গে সখ্য তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন এ পদক্ষেপ নিয়েছে।