চৈত্রের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতেই দমকা ঝড়ো হাওয়াসহ ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে রাজধানীতে। বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) ইফতারের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। সোয়া ৭টার দিকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। সঙ্গে শীলাও পড়তে দেখা যায়। বৃষ্টির এমন আচরণে বিপাকে পড়েন ঘরমুখো মানুষ ও পথচারীরা।
শীলাবৃষ্টি শুরু হওয়ার পর কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি প্রাইভেট কার নিয়ে তাড়াহুড়ো করে রাজধানীর টিকাটুলি এলাকার একটি বাড়ির গ্যারেজে ঢুকে পড়েন। বাইরের গাড়ি ভেতরে ঢোকানোর অনুমতি না থাকায় দারোয়ানের সঙ্গে তার ঝগড়া বাঁধে।
তিনি আরও বলেন, গড়িতে শীল পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলে মালিক রাগারাগি করতে পারেন। তাই গ্যারেজে ঢুকিয়ে দিয়েছি।
রমজানের শুরু থেকেই রাজধানীতে বেশ গরম অনুভূত হচ্ছিল। রোজাদারদের জন্য কখনও কখনও তা বেশ কষ্টকরও হয়ে ওঠে। এর মধ্যে মঙ্গলবার থেকে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় বিরতি দিয়ে বৃষ্টি পড়ছে।
সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দিনাজপুরে দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ৫৬ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় রংপুরে ৩৪, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৩৫, নীলফামারির ডিমলায় ৩০ এবং রাজধানী ঢাকায় ১৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দুয়েক জায়গায় ঝড়ো হাওয়া এবং বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং অন্যদিকে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে। তবে শুক্রবার থেকে বৃষ্টি একটু কমতে পারে।