September 20, 2026, 4:45 pm
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে ১০৬.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য বিজিএফসিএলের অপ্রতিম হত্যার বিচার সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্পন্ন হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অপ্রতীম হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, ১ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় ইতালি সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই রেমিট্যান্স ২৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জুলাই শহিদ মুগ্ধর পরিবারের সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাজী মনিবুর রহমান নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা: নিরাপত্তাবিধি ছাড়াই কাজ চলাকালে মাচা ভেঙে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৩

মান্নার হুঙ্কার: ১৭ ডিসেম্বর কী হয় দেখবেন?

Reporter Name

বুধবার দুপুরে রাজধানীর পল্টনে মোড়ে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা গণতন্ত্র মঞ্চ এ সমাবেশের আয়োজন করে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, ১৭ তারিখ (ডিসেম্বর) কী হয় দেখবেন। ১৭ তারিখের পরও যতই দিন যাক এই সরকারের পতন পর্যন্ত আন্দোলন থামবে না। এই অবৈধ, একতরফা পাতানো নির্বাচনকে আমরা প্রতিহত করব

আগামী ১৮ ডিসেম্বর থেকে ভোটের প্রচার ছাড়া কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি না দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্বাচন কমিশনের চিঠির তীব্র সমালোচনা করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।

আন্দোলন সফল হবে ঘোষণা দিয়ে মান্না বলেন, আন্দোলন হচ্ছে, আন্দোলন চলবে, আরও বড় আকারে আন্দোলন হবে। বাম-ডান যত দল আছে যুগপৎ ভিত্তিতে সবাই মাঠে নামবে এবং এবার দেখবেন আন্দোলনের জোয়ারে এই সরকার ভেসে যাবে।

বাংলাদেশে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মহাসচিব সাইফুল হক বলেন, যদি সরকার সোজা পথে না হাঁটে, আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের পর থেকে রাজপথে বিরোধী দলগুলো এই অবৈধ নির্বাচন, তামাশার নির্বাচন, জালিয়াতির নির্বাচন বন্ধ করার জন্যে লক্ষ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নতুনভাবে আন্দোলন গড়ে তুলব।

তিনি বলেন, দলমত নির্বিশেষে সবাই রাজপথে দাঁড়িয়ে আন্দোলনকে এগিয়ে নেব। বিজয় নিশ্চিত করে আমরা ঘরে ফিরবে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের সাংবিধানিক অধিকার আছে। তারা জনগণকে ভোট না দেওয়ার কথা বলতে পারে। ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের কোনো দেশপ্রেমিক মানুষ ভোট দিতে যাবে না। এ কথা আমরা বলতেই থাকব। কোনো নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এ কথা থামানো যাবে না।

রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুমের সভাপতিত্বে সমাবেশে জেএসডির শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের শহীদুল্লাহ কায়সার, ভাসানী অনুসারী পরিষদের হাবিবুর রহমাস রিজুও বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশের আগে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাকর্মীরা পল্টন মোড় থেকে দৈনিক বাংলা মোড়, ফকিরাপুল কালভার্ট রোড ও বিজয়নগর সড়কে মিছিল করেন।

১২ দলীয় জোট, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, গণঅধিকার পরিষদ অবরোধ কর্মসূচির সমর্ধনে বিজয়নগর ও তোপখানা রোডে মিছিল করে।