আসন্ন ঈদে মুক্তির মিছিলে এগিয়ে রয়েছে চিত্রনায়ক শাকিব খান অভিনীত সিনেমা তুফান। সদ্য সিনেমাটি আনকাট ছাড়পত্র পেয়েছে। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন রায়হান রাফী, প্রযোজনা করেছে আলফা আই স্টুডিওজ লিমিটেড। সঙ্গে আছে চরকি ও ভারতের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ। তুফান বাংলাদেশের সিনেমা হলেও শুটিং হয়েছে ভারতে। তুফানের অর্থায়ন ও নির্মাণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশের প্রযোজকেরা।
সিনেপ্লেক্সে দেশের সিনেমা, হলের মানোন্নয়ন, ঈদের সিনেমাসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে গত মঙ্গলবার বিএফডিসিতে কথা বলেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯ সংগঠনের নেতারা। সেখানেই তুফান সিনেমার নির্মাণপ্রক্রিয়া ও অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রযোজকেরা।
আরশাদ আদনান বলেন, ৬০ লাখ বা ৮০ লাখ টাকা এনবিআরকে দেখিয়ে ওখানে ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার সিনেমা বানাল। বিদেশে কাজ করার একটি নিয়মনীতি তো আছে। দেখানো হয়েছে শাকিব খান ও চঞ্চল চৌধুরীর পেমেন্ট বাংলাদেশে পরিশোধ হয়েছে। তিন শিফট কাজ করে কি ৬০ লাখ টাকা দিয়ে পুরো সিনেমাটা বানানো আদৌ সম্ভব? অন্যদিকে ১৯ সংগঠনের আহ্বায়ক প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু বলেন, আমাদের দেশের সিনেমার কথা বলে শুটিংসহ যাবতীয় কাজ হচ্ছে সেখানে ভারতে। শুধু আমাদের দু-একজন শিল্পী কাজ করছে।
এই সব অভিযোগ নিয়ে কথা বলেছেন তুফান সিনেমার প্রযোজক আলফা আইয়ের কর্ণধার শাহরিয়ার শাকিল। দেশের একটি সংবাদমাধ্যমে শাহরিয়ার শাকিল বলেন, প্রথমেই সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই তুফান যৌথ প্রযোজনার সিনেমা নয়। তুফান বাংলাদেশের সিনেমা। যার প্রযোজক আলফা আই স্টুডিওজ লিমিটেড। এর ডিজিটাল পার্টনার চরকি আর ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার এসভিএফ। বাংলাদেশে যত নিয়মকানুন তা মেনেই নির্মিত হয়েছে তুফান। তথ্য মন্ত্রণালয়, এনবিআর, সেন্সর বোর্ডের সব নিয়ম অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয়েছে বলেই আমরা সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছি।
নব্বইয়ের দশকের ঢাকার এক গ্যাংস্টার নিয়ে তৈরি হয়েছে তুফানের চিত্রনাট্য। শাকিব খানের সঙ্গে আছেন ঢাকার নাবিলা ও কলকাতার মিমি চক্রবর্তী। বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা যাবে চঞ্চল চৌধুরীকে। ঢালিউড সুপার স্টার শাকিব খান ও পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী পৌনে ৩ মিনিটের এ গানে নেচে-গেয়ে মাতিয়েছেন। গানটিতে আরো দেখা যায় সংগীত পরিচালক প্রীতম হাসান ও শেষ দৃশ্যে স্বয়ং পরিচালক রায়হান রাফিকে।
জিভিসি নিউজ / ইস