September 21, 2026, 5:18 am
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে ১০৬.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য বিজিএফসিএলের অপ্রতিম হত্যার বিচার সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্পন্ন হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অপ্রতীম হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, ১ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় ইতালি সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই রেমিট্যান্স ২৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জুলাই শহিদ মুগ্ধর পরিবারের সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাজী মনিবুর রহমান নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা: নিরাপত্তাবিধি ছাড়াই কাজ চলাকালে মাচা ভেঙে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৩

চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন এলাকায় সেতু ভেঙে দুই ভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন এলাকায় সেতু ভেঙে দুই ভাগ হয়ে গেছে।  ব্যস্ততম সড়কের ওপর সেতু ভেঙে যাওয়ায় সড়কে গাড়ির জট সৃষ্টি হয়েছে। এখন এক পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করছে।

নগরের অক্সিজেনের স্টার শিপ গলি এলাকায় শীতল ঝরনার খালের ওপর এ সেতুর অবস্থান। সেতুটি দিয়ে নগরের ২ নম্বর গেট থেকে অক্সিজেন যাতায়াত করেন লোকজন। নগরের অন্যতম প্রধান ও ব্যস্ততম সড়ক বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের ওপর অবস্থিত। নগরের ২ নম্বর গেট থেকে অক্সিজেনমুখী সড়কের ওপর থাকা সেতুর অংশ ভেঙে যায়।

বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের এ অংশে এক পাশ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে আছে। এখন অন্য পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করছে। এতে সড়কে গাড়ির জট সৃষ্টি হয়েছে।

সিটি করপোরেশন দুই প্রকৌশলী জানান, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় শীতল ঝরনা খাল প্রশস্ত করা হয়। এর পর থেকে খালে পানিপ্রবাহ বেড়ে যায়। খাল প্রশস্ত হলেও ইটের তৈরি সেতু আগের মতো ছিল। এতে পানিপ্রবাহের কারণে ধীরে ধীরে সেতুর দুই পাশ থেকে মাটি সরে যেতে থাকে। দেয়ালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর আজ ভোর থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। পানির চাপে সেতুটি দুই ভাগ হয়ে গেছে।

নগরের বায়েজিদ বোস্তামী সড়কের অক্সিজেন অংশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, এ এলাকায় পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ গাড়ি চলাচল করে সড়কটি দিয়ে। এ জন্য সেতুটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন লোকজন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শীতল ঝরনা খালের ওপর সেতুটি নির্মিত হয় ১৯৮০ সালের দিকে। ওই সময়ের নকশায় করা সেতুটি অনেক দিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় শীতল ঝরনা খাল প্রশস্ত করার পর আরও বেশি ঝুঁকি তৈরি হয়। কেননা, ওই সময় খালের প্রশস্ততা বেড়ে গিয়েছিল।

প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান জানান, সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেতু সংস্কারের জন্য পাঁচ কোটি টাকার প্রাক্কলন করা হয়েছে। দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু করবেন তাঁরা।

মোটরসাইকেল আরোহী বেলায়েত হোসেন বলেন, জরুরি কাজে তাঁরা এ সড়ক দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। কিন্তু মাঝপথে এসে দেখেন সেতু ভেঙে গেছে। এতে ওই পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এখন অন্য পাশ ব্যবহার করে গন্তব্যে যান। এ সেতু দ্রুত সংস্কার না করলে সড়কে আরও বেশি যানজট হবে।

ঘটনাস্থল থাকা বায়েজিদ বোস্তামী থানার উপপরিদর্শক শামসুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সেতুটি আজ সকাল ছয়টায় ভেঙে যায়। এ জন্য এক পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ আছে। আরেক পাশ দিয়ে সীমিত পরিসরে গাড়ি চলাচল করছে। তবে ওই অংশটি ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে।