আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম. মিজবাহ উর রহমান শুনানি শেষে পলক ও আতিককে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন এবং কিরণের তিন দিনের রিমান্ডের নির্দেশ দেন। গত ৪ জুন কিরণের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়।
জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা পৃথক মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণের বিরুদ্ধে আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত পলক এবং আতিকের উপস্থিতিতে শুনানির দিন বুধবার ধার্য করেন। এদিকে ছয় দফা পিছিয়ে কিরণের রিমান্ড শুনানির দিনও বুধবার ধার্য করা হয়। এদিন শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় শুনানি শুরু হয়। প্রথমে পলককে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন আদালত। এরপর আতিক ও কিরণের মামলায় শুনানি শুরু হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘১৮ জুলাই সারা বাংলাদেশে কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করা হয়। ছাত্রদের ডাকে সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে। ওই দিন মুগ্ধ, ফাইয়াজসহ ৪৮ জনকে হত্যা করা হয়। এই কিরণ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সাথে নিয়ে উত্তরা এলাকায় হামলা চালায়। নিজে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি করে। এই আসামি সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তাকে রিমান্ডে নিলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটিত হবে। তার সর্বোচ্চ সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থণা করছি।’

Leave a Reply