September 20, 2026, 3:54 pm
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে ১০৬.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য বিজিএফসিএলের অপ্রতিম হত্যার বিচার সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্পন্ন হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অপ্রতীম হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, ১ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় ইতালি সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই রেমিট্যান্স ২৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জুলাই শহিদ মুগ্ধর পরিবারের সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাজী মনিবুর রহমান নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা: নিরাপত্তাবিধি ছাড়াই কাজ চলাকালে মাচা ভেঙে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৩

অন্ধকার থেকে আলোর পথে: ‘উত্তরণ’-এর ৩৪ তম প্রদর্শনী

বিনোদন ডেস্ক:

একজন মানুষ যখন পঙ্কিল জীবনের আঁধার পেরিয়ে আলো খুঁজতে চায়, তখন তার পথের গল্প হয়ে ওঠে নাটক। এমনই এক গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে বিবেকানন্দ থিয়েটারের ২৩ তম প্রযোজনা—‘উত্তরণ’। নাটকটি রচনা করেছেন অপূর্ব কুমার কুণ্ডু এবং নির্দেশনার পাশাপাশি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শুভাশীষ দত্ত তন্ময়।

রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে আগামী ২৩ আগস্ট, শনিবার সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে নাটকটির ৩৪ তম প্রদর্শনী।

নাটকের গল্প;

‘উত্তরণ’ এক মানুষের লড়াইয়ের গল্প—যে তার পথভ্রষ্ট জীবনের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে চায়, আলোর পথে যাত্রা করতে চায়। কিন্তু সমাজের অভিসম্পাত, ভিড়ের ঠেলাঠেলির মাঝে, সে কি শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়াতে পারে? কেউ কি হয় তার পথপ্রদর্শক? উত্তরণদের জীবনে কি সত্যিই আসে মুক্তির আলো—এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার যাত্রাই হলো এই নাটকের মূল সুর।

নির্দেশক ও নাট্যকারের ভাবনা;

নির্দেশক শুভাশীষ দত্ত তন্ময় বলেন, “দলগত অভিনয় উপযোগী একটি নাটকের চাহিদা ছিল। নাট্যকার আমাদের সেই চাহিদার সম্মান রেখেছেন। অভিনয়, নির্দেশনা এবং মঞ্চ বিন্যাসে আমরা দর্শকের সামনে এক জীবন্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে কাজ করছি। ৩৩ তম প্রদর্শনী পর্যন্ত যে ভালোবাসা পেয়েছি, ৩৪ তম মঞ্চায়ন সেই ধারাবাহিকতারই উদযাপন।”

নাট্যকার অপূর্ব কুমার কুণ্ডু যোগ করেন, “অন্ধকার পেরিয়ে আলোর অপেক্ষা—এই চিরন্তন মানবিক আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন ‘উত্তরণ’। এটি অনেকটা সেই বৃক্ষের মতো, যার শিকড় অন্ধকার মাটিতে হলেও ডালপালা আলোয় ফুলে ফলে ভরে ওঠে। নাটকটি দর্শকদের কাছে শুধু বিনোদন নয়, জ্ঞান ও বোধেরও উৎস হবে বলে আশা করি।”

মঞ্চের পেছনের কারিগরি প্রয়াস;

মঞ্চ নির্মাণে কাজ করেছেন ফজলে রাব্বি সুকর্ণ, আলোয় পলাশ হেনড্রী সেন, মিউজিক ও পোস্টার করেছেন হামিদুর রহমান পাপ্পু। পোশাক ও রূপসজ্জা করেছেন নির্দেশক শুভাশীষ দত্ত তন্ময় নিজেই।

অভিনয়শিল্পী দল;

অভিনয়ে রয়েছেন—শুভাশীষ দত্ত তন্ময়, শান্তনু সাহা, রাজীব দেব অমিত, সুধাংশু নাথ, মোস্তফা কামাল মুরাদ, রিমন সাহা, অভয় সাহা, প্লাবন আহমেদ, মো: সাজ্জাদ, শফিকুল ইসলাম এবং আরও অনেকে।

৩৪ তম প্রদর্শনীতে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে এক ঘণ্টার এক অনন্য যাত্রা—অন্ধকার থেকে আলোর পথে, জীবনের নতুন উত্তরণে।