September 21, 2026, 4:06 am
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে ১০৬.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য বিজিএফসিএলের অপ্রতিম হত্যার বিচার সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্পন্ন হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অপ্রতীম হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, ১ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় ইতালি সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই রেমিট্যান্স ২৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জুলাই শহিদ মুগ্ধর পরিবারের সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাজী মনিবুর রহমান নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা: নিরাপত্তাবিধি ছাড়াই কাজ চলাকালে মাচা ভেঙে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৩

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা ও ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুপুর ১২টায় ইসি সচিবালয়ের মিলনায়তনে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আপত্তির শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নিয়ে শুনানির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনারদের উপস্থিতিতেই হট্টগোল ও হাতাহাতি হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আয়োজিত শুনানিতে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার একপর্যায়ে বিএনপি নেত্রী ও সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা ও ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ করতে হয়। পরে হট্টগোলের কারণে সংশ্লিষ্ট আসন দুটির শুনানি সংক্ষিপ্ত করে বিবদমান পক্ষগুলোকে সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়।

‘যাদের জন্য ১৫ বছর লড়লাম, তারাই গায়ে হাত তুলল’

শুনানিতে অংশ নিয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সীমানা পুনর্নির্ধারণের খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী এক নেতার অনুসারীরাসহ বেশ কয়েকজন খসড়ার বিরোধিতা করেন। তাদের দাবি, বিজয়নগর উপজেলাকে অখণ্ড রাখতে হবে। বিজয়নগরের তিনটি ইউনিয়নকে (বুধন্তি, চান্দুরা ও হরষপুর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে যুক্ত করার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন তারা।

এই উত্তেজনা নির্বাচন ভবনের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানেও দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা এক পক্ষকে ফটকের সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নির্বাচন ভবনের সামনে জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়।

ঘটনার পর সাংবাদিকদের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, ‘গত ১৫ বছরে যা হয়নি, আজ তা-ই হলো। অলমোস্ট আমার গায়ে ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিএনপির যে নেতা-কর্মীদের জন্য ১৫ বছর ধরে লড়াই করেছি, তারাই এখন আমাকে ধাক্কা দেয়। তো ঠিক আছে, ধাক্কার বদলে তো ধাক্কা আসবেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সীমানা নিয়ে যদি নিজ দলের মধ্যেই এমন পরিস্থিতি হয়, তাহলে কে জানে নির্বাচনে কী হবে।’