September 20, 2026, 11:03 pm
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে ১০৬.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য বিজিএফসিএলের অপ্রতিম হত্যার বিচার সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্পন্ন হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অপ্রতীম হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ, ১ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় ইতালি সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই রেমিট্যান্স ২৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জুলাই শহিদ মুগ্ধর পরিবারের সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাজী মনিবুর রহমান নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা: নিরাপত্তাবিধি ছাড়াই কাজ চলাকালে মাচা ভেঙে শ্রমিকের মৃত্যু, আহত ৩

পাচাররোধী আইন বানানোসহ ৪ দফা দাবিতে ঠাকুরগাঁও এ গণসমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

পাচারমুখী রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার করে পাচার বন্ধের আইন বানানোর দাবিতে অনেকদিন ধরে কাজ করে আসছে অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশ। একইসাথে রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের রাজনৈতিক বক্তব্যের মূল জায়গাও পাচার বন্ধ করে দেশে বিনিয়োগ বাড়ানো। রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা ও সম্পদের উপর জনগণের মালিকানা নিশ্চিত করা।

এবি পার্টি সহ তিন সংগঠনের উদ্যোগে আজ ঠাকুরগাঁও এ গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম বলেন, অহিংস গণঅভ্যুত্থানের নেতা কর্মীরা দেশের সবচেয়ে নিরীহ, প্রান্তিক ও গরীব মানুষ। তাদের দাবিও খুব যৌক্তিক। এই নিরীহ মানুষদের যৌক্তিক দাবির এ গণসমাবেশ প্রশাসন করতে দিতে চায় নাই। পরবর্তীতে একেবারে শেষ সময়ে সরকারের হস্তক্ষেপে শর্তস্বাপেক্ষে সমাবেশের অনুমতি পাওয়া যায়।

আগত নভেম্বর মাসে উক্ত তিন সংগঠনের উদ্যোগে আরো ৫ টি গণসমাবেশ করার ঘোষণা দেন হাসনাত কাইয়ূম। সে সমাবেশগুলো সহ আগামী দিনে অহিংস গণঅভ্যুত্থানের প্রোগ্রামগুলো যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে করা সম্ভব হয়, সেটা নিশ্চিত করতে তিনি সরকারকে আহ্বান জানান।

এছাড়াও তিনি সরকারকে আগামী ২৯ নভেম্বরের মধ্যে অহিংস গণঅভ্যুত্থানের ৪ দফা দাবিগুলো পূরণেরও আহ্বান জানান। দাবি পূরণ না হলে আগামী ২৯ নভেম্বর ঢাকায় জাতীয় সমাবেশ থেকে আগামী সংসদ নির্বাচনে অহিংস গণঅভ্যুত্থানের নেতারা সংসদ সদস্য পদে প্রার্থীতার ঘোষণা দিবেন বলে জানান হাসনাত কাইয়ূম।

তিনি বলেন বিগত সরকার আপনাদের পক্ষের আইন বানায় নাই। এ সরকারও সে আইন না বানালে আপনারাই সারাদেশে নিজেদের ভোটে নিজেরা সংসদ সদস্য হয়ে নিজেদের পক্ষের আইনগুলো নিজেরা বানিয়ে নিবেন।

গণসমাবেশে অন্যতম আয়োজক সংগঠন অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার বলেন, বাংলাদেশের জনগণের জন্য ২৪ এর অভ্যুত্থানের একটা সেরা অর্জন হতে পারে পাচাররোধী আইন। সরকারকে এ লক্ষ্যে সর্বোচ্চ উদ্যোগী হবার আহ্বান জানিয়ে তিনি নিম্নোক্ত ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন:

১। “অবৈধ অর্থ উদ্ধার ও গণমুখী বিনিয়োগ জাতীয় সংস্থা” গঠনে প্রস্তাবিত আইন বাস্তবায়ন।
২। “অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশ’র” নেতৃবৃন্দের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার।
৩। কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারনে কৃষকের মতামত নেয়া।
৪। রাষ্ট্রের ক্ষমতা এবং সম্পদের উপর জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার।

এসব দাবিতে আগামী সকল সমাবেশ সফল করতে সংগঠনের সকল নেতা কর্মীদের আহ্বান জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার।

সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন শিল্পী বেগম, সংগঠক এবং নারী নেত্রী, অহিংস গণ অভ্যুত্থান বাংলাদেশ; বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মো: আবু বক্কর সিদ্দীক, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, আমার বাংলাদেশ পার্টি। এছাড়া ইউনাইটেড পিপলস (আপ) বাংলাদেশের প্রধান সংগঠক নাঈম আহমেদ, অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দীন আহমেদ, সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মো: নজরুল হক, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের দপ্তর সম্পাদক ছামিউল আলম রাসু, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কনক রহমান, ভূমিহীন, মৎস্যজীবী ও অবাংগালী জাতিগোষ্ঠী বিষয়ক সম্পাদক শেখ নাসিরউদ্দীন, ন্যায়পাল এডভোকেট রায়হান কবীর, সাহেবগন্জ বাগদা ফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি মিঃ বান্না বাঁশ টুডু প্রমুখ।