আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন ঘিরে চিতলমারী উপজেলার ৬ নম্বর চরবানিয়ারী ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা, হাটবাজার সর্বত্রই চলছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। বিশেষ করে এই ইউনিয়নের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য (মেম্বার) পদে কে আসছেন, তা নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহ দেখা দিয়েছে। তবে সব জল্পনা ও আলোচনার কেন্দ্রে এখন একটিই নাম—তৃণমূলের পরীক্ষিত নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. নান্নু বিশ্বাস।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে এলাকায় তাঁর ব্যাপক পরিচিতি ও সুনাম রয়েছে। রাজনীতির পাশাপাশি বর্তমানে তিনি সফলভাবে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন। জনপ্রতিনিধি না হয়েও ব্যক্তিগত উদ্যোগে এলাকার সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে সব সময় পাশে থাকার কারণে তৃণমূলের মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত আস্থাভাজন একটি মুখ হয়ে উঠেছেন। আসন্ন নির্বাচনে তাই ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁকেই দেখতে চাইছেন এলাকার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সরেজমিনে ওই ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং সাধারণ ভোটার ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে-
কথা বলে জানা যায়, নান্নু বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে এলাকার উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রেখেছেন।
স্থানীয়দের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য নান্নু বিশ্বাসের মতো একজন দক্ষ, সৎ ও দূরদর্শী সংগঠকের জনপ্রতিনিধি হওয়া সময়ের জোরালো দাবি। তাঁদের বিশ্বাস, এমন একজন পরিচ্ছন্ন ইমেজের মানুষ নেতৃত্বে এলে ওয়ার্ডের অবহেলিত চিত্র দ্রুত বদলে যাবে।
নির্বাচনী মাঠে ব্যাপক সাড়া ফেলার বিষয়ে নিজের প্রার্থিতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মো. নান্নু বিশ্বাস বলেন,-
‘সাধারণ মানুষের অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও সমর্থনই আসন্ন নির্বাচনে আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আমি কোনো পদ-পদবির আশায় নয়, বরং সব সময় চেষ্টা করেছি সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করার। এলাকার মুরুব্বিদের দোয়া এবং তরুণদের আশীর্বাদ ও সমর্থন থাকলে আগামী দিনে জনপ্রতিনিধি হিসেবে আরও বৃহৎ পরিসরে এই জনপদের মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পাব বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’
নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লায় নান্নু বিশ্বাসের পক্ষে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত জনসমর্থন ততই দৃশ্যমান হচ্ছে।
এখন দেখার অপেক্ষা, ভোটের মাঠে এই জনসমর্থন তাঁকে কতটা সাফল্য এনে দেয়।