আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আসন্ন এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন টাইগার বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।
আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করতে গত শনিবার (১৮ নভেম্বর) ৩টি আসনের জন্য মনোনয়নপত্র কেনেন সাকিব আল হাসান। তিন আসন ছিল মাগুরা-১, মাগুরা-২ ও ঢাকা-১০। বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করেন সাকিব। এ সময় দপ্তর সম্পাদকের রুমে প্রায় আধা ঘণ্টা বৈঠক করেন তারা।
ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এখন থেকে রাজনীতি করবেন জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এমনটি দলকে বলা হয়েছে। বাংলাদেশের যেকোনো আসন থেকে তিনি মনোনয়ন পেতে পারেন। তাঁর রাজনীতি করার অধিকার আছে।
শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কত নায়ক-নায়িকাই তো এমপি। তাঁরা তো সরাসরি দল করেন না। ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশেও আছে। আর সাকিব আল হাসান রাজনীতি করবেন, জনগণের সেবা করবেন। বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় তিনি দাঁড়াতে পারেন।
এ সময় দলীয় মনোনয়ন নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ পর্যন্ত চারটি বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে। আগামীকাল শনিবার না হলেও রবিবারের মধ্যে ৩০০ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী কারা, তা ঘোষণা করতে পারব। নতুন অনেকে এসেছেন, কিছু বাদও পড়েছে। সম্ভাব্য জয়ী প্রার্থীদের আমরা বাদ দেইনি।
তিনি আরো বলেন, আমরা মনোনয়নের ব্যাপারটা সুনির্দিষ্ট করে এখন বলছি না, কারণ এর মধ্যে আমরা যে সব প্রার্থী দিয়েছি, সেসব মনোনয়নে ভুলত্রুটিও থাকতে পারে। সেটাও সংশোধনের একটা সুযোগ রেখেছি। এ কারণে আমরা ঠিক করেছি ভিন্নভাবে, জেলা ধরে বা বিভাগ ধরে প্রার্থিতা ঘোষণা করব না। একসঙ্গে ৩০০ আসনের প্রার্থিতা ঘোষণা করতে চাই।