September 19, 2026, 8:51 pm
শিরোনাম :
তিতাস-২৮ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে : প্রধানমন্ত্রী নবীনদের স্বপ্নবুনন: ইসমাইলের উপস্থাপনায় আসছে ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ’ সাবেক ছাত্রনেতা মানব মজুমদার সন্তোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর আলোচনায়- জনসংযোগ শুরু বাগেরহাটের চিতলমারিতে পুলিশের অভিযানে নারীসহ ৬ সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার শ্রেণিকক্ষ সংকটে বটতলায় ক্লাস, সংবাদ প্রকাশের পর বিদ্যালয় পরিদর্শনে শিক্ষা কর্মকর্তা মানব কল্যাণে চিতলমারির ওয়ালটন পরিবার লিডস করপোরেশন ও বশির সিন্ডিকেটের হাজারকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ! পর্দার আড়ালে পরিবার ও রাজনীতির গল্প: সম্পন্ন হলো তারকাবহুল ‘বেগম পাড়া’র প্রথম লটের শুটিং জনদুর্ভোগ ও আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে সরকারের ব্যর্থতা স্পষ্ট: জেএসডি

‎মৃত্তিকা ইনস্টিটিউটে অনিয়মের অভিযোগ: বদলি ঘিরে বিতর্কে প্রশাসন ‎

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) মহাপরিচালক ড. বেগম সামিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর অফিসে একক আধিপত্য বিস্তার করেছেন এবং নিজের পছন্দের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছেন।

‎সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলামকে সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ে বদলি করা হয়। সহকর্মীদের দাবি, তিনি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করার পরই এই বদলি আদেশ কার্যকর হয়।

‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অনিয়মিত শ্রমিক নিয়োগ, বিশেষ বিধানে এনক্যাডারমেন্ট এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ঘাটতির অভিযোগ রয়েছে মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে। কর্মকর্তাদের দাবি, নিয়মনীতি অনুসরণ না করে ডিজির সংযুক্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেনের নিজ ইউনিয়নের নয়জনকে অনিয়মিতভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মো. ফারুক হোসেন, নুরুল হুদা আল মামুন ও জগলুল পাশা পুতুল নামের তিন কর্মকর্তার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে কিছু নন-ক্যাডার কর্মকর্তাকে এনক্যাডার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎এসব বিষয়ে মন্তব্য জানতে ড. বেগম সামিয়া সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

‎অন্যদিকে, মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলাম। প্রশাসনিক চাপে এখন আমাকে দূরবর্তী কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।

‎প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, একজন সিনিয়র কর্মকর্তাকে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় এভাবে বদলি করা হলে কেউ আর ভবিষ্যতে অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পাবে না।

‎মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। পূর্বেও নিয়োগ ও বাজেট বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল, তবে কার্যকর তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

‎কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি যাচাই করা হবে।

‎প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দ্রুত তদন্ত ও সুষ্ঠু সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।