June 5, 2026, 12:46 am
শিরোনাম :
চৌদ্দগ্রামে মাদকসেবীদের হামলার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ইবিএল চেয়ারম্যান শওকত আলীর বিরুদ্ধে ২৫ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ চিতলমারীতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা তরুণ সাংবাদিক সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ ইসমাইল হোসেনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি আনছার হত্যার বিচারের দাবিতে সুনামগঞ্জে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টির নামে ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টির পক্ষ থেকে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বিবৃতি চিতলমারীবাসীকে ফারজানা আক্তারের পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ঈদযাত্রা ও পশুর হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে র‌্যাব-১০ এর ব্যাপক প্রস্তুতি বান্ধাবাড়ি ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা— মোঃ হান্নান মোল্লা

সংগীত কলেজ: নিয়োগ প্রস্তাবনা স্থগিত চায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

 

দেশের একমাত্র বিশেষায়িত সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি সংগীত কলেজের শিক্ষক নিয়োগে সনদের চেয়ে ‘প্রায়োগিক দক্ষতা’(প্র্যাকটিক্যাল) যাচাইয়ে জোর দেওয়ার দাবি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

একই সঙ্গে বর্তমান অধ্যক্ষের দেওয়া শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাবনা স্থগিত এবং বিগত কয়েকটি বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ‘অদক্ষ’শিক্ষকদের দাপ্তরিক কাজে বদলির দাবি জানানো হয়েছে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক বরাবর দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। সরকারি সংগীত কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শেখ জসিম উদ্দিন কবির এতে সই করেন। স্মারকলিপির সঙ্গে ৯ দফার একটি সম্মিলিত দাবিনামাও যুক্ত করা হয়েছে।

স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, বর্তমানে বিসিএস (সংগীত) ও চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংগীতের মতো বিশেষায়িত শিল্পমাধ্যমের প্রায়োগিক সক্ষমতা বা পারফরম্যান্স যাচাই করা হচ্ছে না। কেবল তাত্ত্বিক সনদের ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ায় শিক্ষার মান ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা ডিগ্রি অর্জন করলেও প্রায়োগিক ক্ষেত্রে অদক্ষ থেকে যাচ্ছেন। পাশাপাশি, বর্তমান কলেজ প্রশাসন বিশেষজ্ঞ মতামত ছাড়াই একটি ত্রুটিপূর্ণ ও মনগড়া নিয়োগ প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে, যা অবিলম্বে স্থগিত করা প্রয়োজন।

সংগঠনটির ৯ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী, যন্ত্রশিল্পী ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ‘সার্চ কমিটি’গঠন করে যুগোপযোগী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। ৩১, ৩৩ ও ৪৩তম বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া যেসব শিক্ষকের প্রায়োগিক সক্ষমতা নেই, মান যাচাই করে তাঁদের পাঠদান থেকে সরিয়ে অন্যত্র দাপ্তরিক কাজে বদলি করতে হবে। ভবিষ্যৎ বিসিএস পরীক্ষায় সংগীতের কারিগরি জ্ঞান যাচাইয়ের জন্য বিশেষজ্ঞদের বোর্ডে রাখতে হবে।

২০১২ সাল থেকে যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়া নিয়োগ পাওয়া অদক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে নতুন নিয়োগ বোর্ড গঠন বা নীতি নির্ধারণ করা যাবে না। ‘অনভিজ্ঞ দ্বারা অনভিজ্ঞ নিয়োগ’চক্র বন্ধ করতে হবে।

কেবল একাডেমিক সনদ নয়, বরং উচ্চতর তালিমে সিদ্ধহস্ত গুণিজন ও প্রকৃত শিল্পীদের শিক্ষক হিসেবে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

কলেজের বড় কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও দেশের শীর্ষস্থানীয় সংগীত ব্যক্তিত্বদের পরামর্শের ব্যবস্থা রাখতে হবে, যাতে কোনো অনৈতিক বা বাণিজ্যিক স্বার্থ প্রশ্রয় না পায়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ পণ্ডিত বারীণ মজুমদারের প্রচেষ্টায় ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপিঠ দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অনন্য ধারক। ১৯৮৪ সালে এটি সরকারি করা হয়। প্রতিষ্ঠানের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও একে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে অবিলম্বে এসব সংস্কার বাস্তবায়ন জরুরি বলে মনে করেন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page