MV THE Explorer সুন্দরবন,বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন স্পট এবং পুরো বিশ্ব একনামেই চিনে। বাংলাদেশের সুন্দরবনকে প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে ভরপুর এই সুন্দরবন । সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড শ্বাসমূলীয় বনভূমি। ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে। কল্পনা করুন একটা বড় শিপে সুন্দরবনের চারপাশে ঘুরছেন মাঝে মাঝে ছোট ছোট নৌকা নিয়ে সুন্দরবেন শান্ত শীতল খালগুলোতে ঘুরছেন আবার নৌকা থেকে নেমে সুন্দরবনের ভিতরে প্রবেশ করছেন আনন্দের সাথে মনে একটু ভয়ও কাজ করবে কখন জানি বাঘ বা কোন হিংস্র প্রাণী আক্রমণ করে বসে এমন ভয় উত্তেজনা আর আনন্দের সাথেই কাটবে আমাদের সুন্দরবন যাত্রা শিপে রাতের বেলা বসবে গানের আসর খোলা গলায় সবাই গাইবো আনন্দ করবো ,জমে উঠবে আসর ।
MV THE Explorer জাহাজের সুবিধাবলী
কেবলমাত্র ট্যুরিষ্টদের জন্য তৈরিকরা আধুনিক সুবিধা সম্বলীত নতুন জাহজ সকল রুমে এ্যাটাস ওয়াশরুম
সকল রুম ও লাউঞ্জ এসি ,আধুনিক সুইমিং পুল
শিশুদের জন্য সুইমিং পুলে ওয়াটার স্লাইডার, সকল রুম থেকে বন ও সমুদ্র উপভোগ করা যায় ১৮০ ডিগ্রী ভিউ ( রিভার সাইড ফুল গ্লাস)
বুকিং ও বিস্তারিত:
ভ্রমণ সময়কাল: (৩ দিন ২ রাত)(খুলনা -সুন্দরবন -খুলনা)
ভ্রমণ স্খান সমূহ
১ঃ হারবাড়িয়া ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র
২ঃ কটকা জামতলা সী বিচ
৩ঃ টাইগার টিলা
৪ঃ হিরণ পয়েন্ট
৫ঃ দুবলার চর
৬ঃ করমজল ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র
৭: আন্দারমানিক ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র
খাবার
ওয়েলকাম ড্রিংকস সহ তিন বেলা বুফে খাবারের পাশাপাশি থাকছে দুই বেলা স্ন্যাকস এবং প্রতিবেলা খাবারে থাকবে ভিন্নতার ছোয়া। আরও থাকছে ২৪ ঘন্ট চা/ কফির ব্যাবস্থা।
নিরাপত্তাঃ আপনাদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ বনবিভাগ থেকে থাকবে দুই জন নিরাপত্তা কর্মী ।
ভ্রমনকালে যা যা সাথে বহন করবেন
কেডস, ব্রাশ, পেস্ট, সানব্লক লোশন, রেইনকোট, ছাতা, টর্চ লাইট, প্রয়োজনীয় ওষুধ।
নির্ধারিত দিনে খুলনাগামী বাসে করে খুলনা শহরের রয়েল মোড় থেকে অটোরিক্সাতে করে ১৫ মিনিটে BIW ঘাটে সকাল ৭ টার মধ্যে পৌঁছানো।
>>১ম দিন :
আপনাকে আমাদের ট্যুর গাইড রিসিভ করে ট্রলারে শীপে নিয়ে আসবে। তারপর ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা পরিবেশন। বন বিভাগের অনুমোদনপত্র ও গার্ড নিয়ে জাহাজ মংলা পোর্টে পৌঁছানোর পূর্বে রুপসা ব্রীজ, খুলনা শীপ ইর্য়াড ও রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেখা যাবে। দুপুর ১ টা থেকে ২:৩০ মিনিটের মধ্যে আমরা চাঁদপাই ফরেস্ট অফিস পৌছাবো। বিকাল ৩:৩০- ৪ টার মধ্যে হাড়বাড়িয়ায় পৌছানো যেখানে বন বিভাগের ইকো ট্যুরিজম স্পট দেখতে পাওয়া যাবে। এরপর বনের ভিতর দিয়ে ছোট ছোট ক্যানেল/খাল পার হয়ে কটকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে রাত ১ টায় পৌছানো এবং রাতে জাহাজে অবস্থান।
>> ২য় দিন :
ভোরে ট্রলারে করে কটকার আশেপাশে ক্যানেল/খাল ক্রুজিং। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে গভীরভাবে উপলব্দি করার জন্যে ট্রলার বন্ধ করে বিভিন্ন প্রকার প্রানী যেমন হরিন,মাছরাঙা, বানর, বনমোরগ, হরিণ, বন্য শূকর এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কলকাকলী উপভোগ করা হবে। ওয়াচ টাওয়ার, কটকার অফিস পার, জামতলা সী বীচে নেমে ঘু্রাঘুরি করব এবং হেঁটে টাইগার টিলাতে যাব। টাইগার টিলাতে প্রচুর হরিণ দেখতে পাওয়া যাবে । লাঞ্চ করার পূর্বে/পরে হিরণ পয়েন্টে এবং বিকাল ৪ টায় দুবলার চর ঘুরাঘুরি করে বিকাল নাগাদ ট্যুরিষ্ট শীপে চলে আসব। রাতে বার-বি-কিউ ডিনার করে জাহাজে রাত্রি যাপন।
>>৩য় দিন :
সকালে ঢাংমারি ক্যানেল ক্রুজিং ও সকালের নাস্তা খেয়ে করমজল ইকো ট্যুরিজম স্পট পরিদর্শন। সকালে ১০ টায় করমজলে নেমে প্রচুর বানর, হরিন, কুমিরের প্রজননকেন্দ্র দেখতে পাওয়া যাবে। দুপুরের দিকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা। আনুমানিক রাত ৫/৬ টা নাগাদ খুলনা আসা এবং রাতের বাসেকরে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া হবে।
প্যাকেজ মুল্য
ভ্রমণ খরচ: (খুলনা-সুন্দরবন-খুলনা)
জনপ্রতি – ২০,০০০ টাকা মাত্র
নিরাপত্তা: নিরাপত্তার ব্যাপারে আমাদের কোন আপোস নেই। আপনাদের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষনিক নিয়োজিত থাকবে বাংলাদেশ বনবিভাগের সসস্ত্র নিরাপত্তা কর্মী । আবহাওয়া এবং অন্য যে কোন প্রয়োজনে রেডিওর মাধ্যমে ফরেস্ট, কোষ্ট গার্ড এবং নৌ-বাহিনীর সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন।
★প্যাকেজে যা থাকবে না**
★ ব্যক্তিগত কোন ঔষধ
★ সফট বা হার্ড ড্রিংস্
★ক্যামেরা বা ভিডিও ক্যামেরার এন্ট্রি ফি
সুন্দরবনে কেবল টেলিটক মোবাইল নেটওয়াক কোথাও কোথাও পাওয়া যায়, অন্য মোবাইল নেটওয়াক পাওয়া যায় না।
বুকিং মানি জমা দেওয়ার পদ্ধতিসরাসরি অফিসে এসে জমা দেয়া যাবে।, বিকাশে করা যাবে।https://www.facebook.com/100094499574954/videos/pcb.201645286328789/1293695125363263