সুপার এইট খেলতে হলে জয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই দুই দলের সামনে। এমন ম্যাচে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন সাকিব। শেষ পর্যন্ত বোলারদের কল্যাণে ২৫ রানের দুর্দান্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। এ জয়ের ফলে সুপার এইটের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল টিম টাইগার্স। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সেন্ট ভিনসেন্টের আর্নস ভ্যাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করে বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে সাকিব সর্বোচ্চ অপরাজিত ৬৪ ও তানজিদ হাসান তামিম করেন ৩৫ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে নেদারল্যান্ডস ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান করতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশের দেয়া টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩২ রানে দুই উইকেট হারায় ডাচরা। তৃতীয় উইকেটে বিক্রমজিতকে নিয়ে সেই ধাক্কা সামাল দেয়ার চেষ্টা চালান এঙ্গেলব্রেখট। দলীয় ৬৯ রানে বিক্রমজিত আউট হলে ভাঙে জুটি। চতুর্থ উইকেটে এঙ্গেলব্রেখট ও অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস উইকেট আটকে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন। এ দুজন ৪৪ রান সংগ্রহ করার পর এঙ্গেলব্রেখটকে রিশাদ প্যাভিলিয়নের পথ দেখান। পরের বলেই বাস ডি লিডকেও তুলে নেন রিশাদ। এতে করে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ডাচরা।
শেষ দিকে জোর চেষ্টা চালালেও তা আর জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। ৮ উইকেট হারিয়ে নেদারল্যান্ডস শেষ পর্যন্ত ১৩৪ রান করতে সক্ষম হয়। বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ ৩টি, তাসকিন ২টি ও মুস্তাফিজ, তানজিম, মাহমুদউল্লাহ প্রত্যেকে একটি করে উইকেট লাভ করেন।
দলীয় ২৩ রানে ২ উইকেট হারানোর পর দায়িত্ব কাঁধে তুলে সাকিব এবং তানজিদ তামিম। ৩২ বলে ৪৮ রানের দুর্দান্ত এই জুটি ভাঙে দলীয় ৭১ রানে তানজিদ তামিম ৩৫ রান করে সাজঘরে ফেরায়। নবম ওভারে ফন মিকেরেনের বলে ক্যাচ হয়ে ফেরেন তানজিদ। এরপর বাইশগজে ব্যাট হাতে আসেন তাওহিদ হৃদয়।
শেষ দিকে জাকের আলীর অপরাজিত ১৪ রানের ক্যামিও ইনিংসে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন সাকিব। নেদারল্যান্ডসের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন আরিয়ান দত্ত ও পল ফন মিকিরেন।
জিভিসি নিউজ / ইস

Leave a Reply