জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পুরো ক্যাম্পাস সারারাত ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। এছাড়া মোবাইল ইন্টারনেটের সংযোগ এক প্রকার ছিল না বললেই চলে।
তবে বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হয়।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেয়া জাবির শিক্ষার্থী তৃপ্তি তাপসী এ কথা জানান।
বুধবার রাত থেকেই পুরো ক্যাম্পাসে কড়া প্রহরায় রয়েছে পুলিশ। ইতোমধ্যে বেশিভাগ শিক্ষার্থী হল ছেড়েছেন। রাতে যারা অবস্থান নিয়েছিলেন সকালে তারাও একে একে হল ত্যাগ করতে থাকেন।
এমন অবস্থায় পুরো ক্যাম্পাস জুড়েই থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কয়েকটি হলে এখনো হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। মূলত মেয়েদের হলগুলোতেই কিছু শিক্ষার্থী রয়ে গেছেন।
তৃপ্তি তাপসী বলেন, ‘আমরা যারা হলে থেকে পড়াশোনা করি, এটাই আমাদের একমাত্র থাকার জায়গা। বিনা নোটিশে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হলো। আমরা এখন কোথায় যাব। হলে থাকলেও পুলিশ হামলা চালাতে পারে।’
এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কেউ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ায়নি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘আমাদের ওপর যখন হামলা চলছিল, যখন আমাদেরকে বের করে দিচ্ছে আমাদের ভিসি, প্রোক্টর কেউ কোনো খোঁজ নেয়নি। আমাদের কোনো অভিভাবক পাশে ছিল না।’
ক্যাম্পাসে আন্দোলন স্তিমিত মনে হলেও শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে ভেতরে ভেতরে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে বলে তিনি জানান।
সূত্র : বিবিসি