পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে শারমিন আক্তার মোবাইল মেরামতের কথা বলে স্বামীর বাড়ি চৌদ্দগ্রামের মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ফেলনা মোল্লা বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর ফিরে আসেননি। তার সঙ্গে কেউ ছিল না।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নিখোঁজ গৃহবধূ মোসা. শারমিন আক্তার (১৯)-এর তিন দিনেও কোনো সন্ধান মেলেনি। মায়ের খোঁজে কান্নায় ভেঙে পড়েছে তার দুই শিশু সন্তান। প্রবাসী স্বামী ফাহাদ মোল্লাও স্ত্রীর খোঁজে পাগলপ্রায়।
সারা দিন অপেক্ষার পর সন্ধ্যায়ও বাড়ি না ফেরায় স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পিতার বাড়ি বাতিসা ইউনিয়নের আটগ্রাম, বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনের বাসা এবং চৌদ্দগ্রাম বাজারসহ সম্ভাব্য স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোনো হদিস মেলেনি। পরদিন রবিবার (২৭ জুলাই) শারমিনের বাবা মজিবুল হক চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অভিজিৎ বলেন, “গৃহবধূকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।”
প্রবাসী স্বামী মো. ফাহাদ মোল্লা জানান, “আমার স্ত্রী শনিবার সকালে মোবাইল ঠিক করতে বের হয়েছিল। তার কিছুটা স্মৃতিশক্তির সমস্যা রয়েছে। বের হওয়ার সময় তার পরনে কালো বোরকা ছিল এবং গঠন ছিল হালকা। কেউ যদি তার সন্ধান পান, দয়া করে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করুন।”
যোগাযোগ: ০১৮৮৮-১৯২৮৫৩
চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হিলাল উদ্দিন জানান, “গৃহবধূ নিখোঁজের বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। তার মানসিক সমস্যার বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। দ্রুত উদ্ধার চেষ্টায় পুলিশ কাজ করছে।”