চিতলমারী, বাগেরহাট – দক্ষিণাঞ্চলের জনপদে আজ যে নামটি উচ্চারিত হচ্ছে প্রেরণা ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে, তিনি হলেন মোঃ আলী আকবার জিসান, সভাপতি, ছাত্র অধিকার পরিষদ চিতলমারী উপজেলা শাখা। অদম্য ইচ্ছাশক্তি, দৃঢ় নৈতিক অবস্থান ও সমাজ পরিবর্তনের অঙ্গীকারে তিনি হয়ে উঠেছেন তরুণদের প্রিয় মুখ এবং ন্যায়ের সংগ্রামের এক জাগ্রত প্রতীক।
পিতা মোঃ লিয়াকত আলী মোল্লা-এর ন্যায়নিষ্ঠ জীবনদর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে ছোটবেলা থেকেই আলী আকবার জিসান অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নিয়েছেন। জন্ম ও বেড়ে ওঠা চিতলমারীর আড়ুয়াবনী গ্রামে, কিন্তু চিন্তা তাঁর সারাদেশব্যাপী। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন শিক্ষা ও ন্যায়ের আলো প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে যাবে।
তার নেতৃত্বে ছাত্র অধিকার পরিষদ চিতলমারী উপজেলা শাখা এখন একটি গতিশীল সংগঠনে পরিণত হয়েছে। সংগঠনের প্রতিটি কর্মী আজ বিশ্বাস করে- জিসান কেবল সভাপতি নন, তিনি একজন দিকনির্দেশক। শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা, মেধাবী কিন্তু সুবিধাবঞ্চিত ছাত্রদের সহায়তা, এবং সমাজে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন নেতৃত্ব মানে শুধু পদ নয়, এটি এক ধরণের দায়বদ্ধতা ও মানবিক প্রতিশ্রুতি।
জিসান বলেন, ছাত্র সমাজই জাতির বিবেক। সেই বিবেককে জাগিয়ে তোলাই আমাদের কর্তব্য। আমরা যদি নীরব থাকি, তবে অন্যায়ই প্রথায় পরিণত হবে। তাঁর এই তেজোদীপ্ত কণ্ঠ ও মানবিক চিন্তা তরুণদের মাঝে নতুন জাগরণ সৃষ্টি করেছে।
চিতলমারীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন আলোচনা- আলী আকবার জিসানের মতো নেতৃত্বই আমাদের প্রয়োজন। তাঁর কাজের পরিধি স্থানীয় সীমানা ছাড়িয়ে গেছে ইতিমধ্যেই; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে ঘিরে তরুণদের আগ্রহ বেড়েছে বহুগুণে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যেখানে অনেকেই পদকে প্রাধান্য দেন, সেখানে আলী আকবার জিসান নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন একজন কর্মীর ভূমিকায়। জনগণের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর গর্ব, আর শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা তাঁর দায়িত্ব।
চিতলমারীর আকাশে এখন এক নতুন সম্ভাবনার আলো- আলী আকবার জিসান। তাঁর চোখে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, তাঁর কণ্ঠে পরিবর্তনের আহ্বান, আর তাঁর পদক্ষেপে এক নতুন প্রজন্মের বিশ্বাস।