চৌদ্দগ্রামের জুগিরকান্দির মেসার্স নিহা ব্রিকস পরিচালনায় আইনগত বাঁধা নেই

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম কাশিনগর ইউনিয়নের জুগিরকান্দিতে স্থাপিত মেসার্স নিহা ব্রিকস পরিচালনায় আইনগত কোন বাঁধা নেই। মেসার্স নিহা ব্রিকস এর স্বত্ত্বাধিকারী মো. নাদিম এর দায়ের করা রিট পিটিশনের ওপর শুনানি নিয়ে রুল ও স্থিতাবস্থা (ষ্ট্যাটাসকো) জারি করে আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট শাম্মি আক্তার ও এডভোকেট দিদারুল আলম।
এডভোকেট দিদারুল আলম মঙ্গলবার জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর ব্রিকস ফিল্ডটির পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়নের আবেদন নামঞ্জুর করে সিদ্ধান্ত নেন। বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ২০২৩ অনুযায়ী পরিবেশ সচিব বরাবর আপিল করা হয়৷
পরে ব্রিকস ফিল্ডটির পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়নের আবেদন নামঞ্জুর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।
শুনানি শেষে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আদেশ দেন।

এডভোকেট দিদারুল আলম জানান, আদেশে ব্রিকস ফিল্ডটির পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়নের আবেদন নামঞ্জুর সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করে হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কারণ দর্শাতে রুল জারি জারি করে। এবং ব্রিকস ফিল্ডে ছয় মাসের স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাসকো) জারি করে।
এ আদেশের ফলে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম কাশিনগর ইউনিয়নের জুগিরকান্দিতে স্থাপিত মেসার্স নিহা ব্রিকস পরিচালনায় আইনগত কোন বাঁধা রইল না।

এ আইনজীবী বলেন, কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম কাশিনগর ইউনিয়নের জুগিরকান্দিতে স্থাপিত মেসার্স নিহা ব্রিকসে ২০২৮ সালের ৮ মার্চ পর্যন্ত ইট পোড়ানোর লাইসেন্স রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়ন হওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ আবেদন করে। স্থানীয় আবদুল কাদেরসহ কয়েকজন পরিবেশে ইটভাটাটির বিরুদ্ধে পরিবেশ ছাড়পত্র না দিতে আবেদন করে।
এডভোকেট দিদারুল আলম জানান, আবদুল কাদের তথ্য গোপন করে এর আগেও হাইকোর্টে এই ইটভাটার বিরুদ্ধে রিট পিটিশন দায়ের করেছিল। সে রিট খারিজসহ তাকে ২০ হাজার টাকা কষ্ট করে রায় হাইকোর্ট। আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে এ আদেশ বহাল থাকে। এ বিষয়ে আমরা হাইকোর্টে ইতোপূর্বে রায়টি উপস্থাপন করেছি। আদালত রুল ও স্থিতাবস্থা জারি করে আদেশ দেয়।
রিটে পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিচালক , অতিরিক্ত পরিচালক, পরিচালক ও উপপরিচাল পরিবেশ, চট্রগ্রাম, জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা, ইউএনও, চৌদ্দগ্রামসহ নয়জনকে রেসপনডেন্ট করা হয়।


Tags:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *