September 19, 2026, 6:42 pm
শিরোনাম :
তিতাস-২৮ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে : প্রধানমন্ত্রী নবীনদের স্বপ্নবুনন: ইসমাইলের উপস্থাপনায় আসছে ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ’ সাবেক ছাত্রনেতা মানব মজুমদার সন্তোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর আলোচনায়- জনসংযোগ শুরু বাগেরহাটের চিতলমারিতে পুলিশের অভিযানে নারীসহ ৬ সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার শ্রেণিকক্ষ সংকটে বটতলায় ক্লাস, সংবাদ প্রকাশের পর বিদ্যালয় পরিদর্শনে শিক্ষা কর্মকর্তা মানব কল্যাণে চিতলমারির ওয়ালটন পরিবার লিডস করপোরেশন ও বশির সিন্ডিকেটের হাজারকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ! পর্দার আড়ালে পরিবার ও রাজনীতির গল্প: সম্পন্ন হলো তারকাবহুল ‘বেগম পাড়া’র প্রথম লটের শুটিং জনদুর্ভোগ ও আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে সরকারের ব্যর্থতা স্পষ্ট: জেএসডি

খুচরা সার ডিলারদের ২০০৯ সালের নীতিমালা বহল রাখার দাবি জানিয়েছেন শেখ ওবায়দুল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

খুচরা সার বিক্রেতা এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ এই সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শেখ ওবায়দুল্লাহ ২০০৯ সালের নীতিমালা বহোল রাখার দাবি জানিয়েছেন অন্তবর্তী সরকারের কাছে।

সমগ্র বাংলাদেশে ৪৫ হাজার খুছরা সার বিক্রেতা রয়েছে প্রতি বিক্রেতা বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত প্রতিজনকে একটি করে আইডি কার্ড প্রদান করেন।

আইডি কার্ড প্রদান করা বাবদ প্রতিজনার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে জামানতস্বরূপ ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সরকার।

২০০৯ সালে এদেরকে এভাবেই সার বিক্রি করার অনুমোদন দেয়া হয় দীর্ঘদিন ধরে এইসব সার বিক্রেতারা এভাবেই সরকারের দেয়া নিয়ম নীতি মেনে সার ক্রয় বিক্রয় এবং কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শের মাধ্যমে সেবা করে আসছেন।

আওয়ামী সরকারের পঠ পরিবর্তনের পর হঠাৎ করে ২০২৫, নভেম্বর মাসের ২৬ তারিখে কৃষি উপদেষ্টা একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব খুচরা সার বিক্রেতাদের আইডি কার্ড বাতিলের ঘোষণা দেন তিনি।

এটা যদি বন্ধ করা হয় তাহলে এই ৪৫ হাজার খুচরা সার বিক্রেতা ও তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে তাদের পথে বসতে হবে। তাদের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম এটাই আর তা দিয়েই তাদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা বৃদ্ধ মা বাবাদের চিকিৎসা সহ সবকিছুই এটার উপরে নির্ভরশীল তারা।

সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকারের সময় এসব কথা বলেন খুচরা সার বিক্রেতা এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি, শেখ ওবায়দুল্লাহ।