September 19, 2026, 4:38 pm
শিরোনাম :
তিতাস-২৮ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে : প্রধানমন্ত্রী নবীনদের স্বপ্নবুনন: ইসমাইলের উপস্থাপনায় আসছে ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ’ সাবেক ছাত্রনেতা মানব মজুমদার সন্তোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর আলোচনায়- জনসংযোগ শুরু বাগেরহাটের চিতলমারিতে পুলিশের অভিযানে নারীসহ ৬ সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার শ্রেণিকক্ষ সংকটে বটতলায় ক্লাস, সংবাদ প্রকাশের পর বিদ্যালয় পরিদর্শনে শিক্ষা কর্মকর্তা মানব কল্যাণে চিতলমারির ওয়ালটন পরিবার লিডস করপোরেশন ও বশির সিন্ডিকেটের হাজারকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ! পর্দার আড়ালে পরিবার ও রাজনীতির গল্প: সম্পন্ন হলো তারকাবহুল ‘বেগম পাড়া’র প্রথম লটের শুটিং জনদুর্ভোগ ও আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে সরকারের ব্যর্থতা স্পষ্ট: জেএসডি

সংরক্ষিত নারী আসনে বাগেরহাটের তৃণমূলের প্রথম পছন্দ রুনা গাজী

আজাদ খান, চিতলমারী:

বাগেরহাট: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাগেরহাট থেকে বিএনপির পরীক্ষিত নেত্রী রুনা গাজীকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় স্থানীয় তৃণমূল। রাজনৈতিক বৈরী পরিবেশ, হামলা-মামলার শিকার হয়েও যিনি রাজপথ ছাড়েননি—সেই ত্যাগী নেত্রীকে ঘিরেই এখন স্বপ্ন বুনছেন জেলা ও উপজেলার সাধারণ নেতাকর্মী থেকে শুরু করে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

রুনা গাজী বর্তমানে চিতলমারী উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক এবং জেলা বিএনপির নেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি চিতলমারী উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় রুনা গাজী ছিলেন সামনের সারিতে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করেছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার সরব উপস্থিতি নতুন প্রজন্মের ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। দীর্ঘদিনের এই রাজনৈতিক পথচলায় সামাজিক নানা কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।

রুনা গাজীর রয়েছে পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যও। তার স্বামী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক শেখ চিতলমারী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হিসেবে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে সবসময়ই তাদের পাশে পাওয়া যায় বলে জানান স্থানীয়রা।

তৃণমূলের এই জোরালো দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে রুনা গাজী বলেন, “দলের দুঃসময়েও যেমন মাঠ ছাড়িনি, তেমনি সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখেও সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দল যদি আমার অতীত ও বর্তমান কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করে আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেয়, তবে আমার প্রথম লক্ষ্য হবে নারীদের স্বাবলম্বী করা। এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আমি আমার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করব।

সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি সংরক্ষিত আসন রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, আগামী মে মাসের মধ্যেই এই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

বাগেরহাটের মাঠের রাজনীতিতে এখন রুনা গাজীর পক্ষে ব্যাপক জনমত তৈরি হয়েছে। এখন তৃণমূলের একটাই প্রত্যাশা-রাজপথের এই লড়াকু নেত্রীর ওপরই যেন আস্থা রাখে দলের নীতিনির্ধারকরা। চূড়ান্ত মনোনয়নের ক্ষেত্রে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব কার ওপর ভরসা রাখেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে বাগেরহাটবাসী।