September 16, 2026, 7:52 am
শিরোনাম :
বাগেরহাটের চিতলমারিতে পুলিশের অভিযানে নারীসহ ৬ সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার শ্রেণিকক্ষ সংকটে বটতলায় ক্লাস, সংবাদ প্রকাশের পর বিদ্যালয় পরিদর্শনে শিক্ষা কর্মকর্তা মানব কল্যাণে চিতলমারির ওয়ালটন পরিবার লিডস করপোরেশন ও বশির সিন্ডিকেটের হাজারকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ ! পর্দার আড়ালে পরিবার ও রাজনীতির গল্প: সম্পন্ন হলো তারকাবহুল ‘বেগম পাড়া’র প্রথম লটের শুটিং জনদুর্ভোগ ও আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে সরকারের ব্যর্থতা স্পষ্ট: জেএসডি প্রেমের জোয়ার, কিন্তু বিয়ের কথায় ভয়! এই সমীকরণের উত্তর খুঁজছে ‘বউ ঘরের লক্ষী’ চিতলমারীর ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে সেলিম খান বাংলাদেশের কোয়ান্টাম প্রযুক্তিতে ঐতিহাসিক অর চিতলমারীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত: দক্ষ ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার প্রত্যয়

এম এইচ খান মঞ্জুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা: ঢাকায় থেকেও তিনি প্রধান আসামি

পলাশ,নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঘটনার দিন তিনি নিজের ব্যবসায়িক কাজে অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। অথচ শত মাইল দূরে গোপালগঞ্জে সংঘটিত একটি মারামারি ও ছিনতাইয়ের মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বিশিষ্ট বিএনপি নেতা এম এইচ খান মঞ্জুকে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের দাবি, মূলত মন্ত্রীসভায় তাঁর অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা ঠেকাতেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মিথ্যা মামলার ফাঁদ পেতেছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানায় গত ২৬ আগস্ট দায়ের করা একটি মামলার (মামলা নং-৫৪) নথিপত্র ঘেঁটে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। মালেঙ্গা গ্রামের কৃষক তরিকুল ইসলামের (৪৮) দায়ের করা ওই এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ২৬ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের সামনের মোড়ে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে পথরোধ করে। সেখানে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর, গুরুতর জখম এবং নগদ ২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ আনা হয়। দণ্ডবিধির একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় দায়ের করা এই মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে ৬৫ বছর বয়সী এম এইচ খান মঞ্জুকে। মামলায় মাহবুব আলী সোহেল, শিবলি, ইফতি মোল্লা, ইকরাম মিনাসহ আরও বেশ কয়েকজনকে নামীয় এবং ৮-১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

তবে অনুসন্ধানে মামলার এজাহারের সঙ্গে বাস্তবতার যোজন যোজন ফারাক পাওয়া যায়। নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ঘটনার দিন ও সময়ে এম এইচ খান মঞ্জু গোপালগঞ্জে ছিলেনই না। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, যিনি ওই সময় ঢাকায় অবস্থান করছিলেন, তিনি কীভাবে গোপালগঞ্জে গিয়ে এমন একটি সহিংস ঘটনায় নেতৃত্ব দিতে পারেন?

  • স্থানীয়দের কাছে এম এইচ খান মঞ্জু একজন অত্যন্ত সজ্জন ও পরোপকারী মানুষ হিসেবে পরিচিত।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমন একজন পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতাকে ভিত্তিহীন মারামারি ও চুরির মামলায় জড়ানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট। সম্প্রতি তাঁর ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং মন্ত্রী পরিষদে যাওয়ার জোর সম্ভাবনার খবরে ঈর্ষান্বিত হয়েই একটি চক্র তাঁকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি নিছক কোনো আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার এক নগ্ন উদাহরণ। মামলার আসামির প্রকৃত অবস্থান আড়াল করে কেবল রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই এই হয়রানিমূলক মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমেই এই ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচিত হবে এবং এম এইচ খান মঞ্জু সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হবেন বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় জনসাধারণ।