বেঁচে থাকলে আজ বয়স ৭০ বছর পুর্ন হতো
জন্মগ্রহণ করেন কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা গ্রামে। পড়াশোনা করেন আলকরা প্রাইমারি স্কুল, গুনবতী হাই স্কুল, ফেনী কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসের ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল স্টাডিজে। অর্থনীতি তে অনার্স ও ডাবল মাস্টার্স। ডিগ্রী লাভ করেছেন আইন বিষয়েও।
কর্মজীবনে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব, রাষ্ট্রপতির সচিব,পরিবেশ ও বন সচিব ও পরিকল্পনা সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক ছিলেন। কাজ করেছেন বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের পরিচালক হিসেবে।
তিনি সিনিয়র সহকারী সচিব, উপ সচিব এবং যুগ্ম সচিব হিসাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়,স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে কাজ করেন।
তিনি ভোটার আইডি কার্ড প্রকল্পের ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর হিসাবে নির্বাচন কমিশনে ছিলেন। বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান এর সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরী ও জেনারেল (অবঃ) নুরুদ্দিন খান এর একান্ত সচিব ছিলেন।
মাঠ প্রশাসনে, জাফর আহম্মেদ চৌধুরী ময়মনসিংহের জনপ্রিয় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা ও সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, ঢাকা জেলা পরিষদ এর সচিব এবং লক্ষ্মীপুর সদর, আড়াইহাজার ও কেরানীগঞ্জ এর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করেন। ছিলেন মৌলভীবাজার এর সেকেন্ড অফিসার। চট্টগ্রামে সহকারী কমিশনার, ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রটোকল অফিসার হিসেবে কাজ করেন।
সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা। সহ সংবাদ পত্রে নিয়মিতভাবে
কলাম লেখতেন এবং সাপ্তাহিক চৌদ্দগ্রাম পত্রিকার নিয়মিত লেখক ছিলেন আমি বহুবার স্যারের কাছে থেকে লেখা সংগ্রহ করতে তার অফিসে ও বাসায় যেতাম স্যার আমাকে অনেক আদর করতেন স্যার বললে রাগ করতেন। বলতেন তুমি আর আমি একএলাকার ছেলে তোর বাবা আমার সাথে আলকরা প্রাইমারিতে একসাথে পড়ছে তুমি বাতিজা স্যার ডাকবেনা তখন থেকে অংকেল ডাকতাম
নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।অনেক সচিব চৌদ্দগ্রামে ছিল আছে আরো হবে এমন জনপ্রিয় সাধারণ মানুষের নিকট
আসবে কিনা জানিনা কারন বিগত সময় পর্যন্ত পাইনি। কারন দলমতের উদ্বে উঠে আসা সবার পক্ষে সম্ভব হয়না।
একজন জাদরেল দেশ প্রেমিক আমলার বাইরেও পরিচিতি পান অর্থনিতীবিদ, লেখক, কবি ও গীতিকার হিসেবে।
অনেক বই লিখেছেন যার মধ্যে রয়েছে অর্থনীতি, সাহিত্য, রাস্ট্র বিজ্ঞান এবং ভ্রমণ কাহিনী।
ক্যান্সারের আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৮ সালের ১৩ জুলাই সকলকে ছেড়ে চলে যান।

Leave a Reply